
কলকাতা, ২৯ আগস্ট : রবিবারের বিস্ফোরণের পর পাক্কা দুদিন কেটে গিরেছে। সোমবার রাতে বিস্ফোরণস্থলের নিকটবর্তী বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রায় ১ হাজার ৬০০ কেজি নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধার করেছে পুলিশ। সূত্রের খবর, দত্তপুকুরের মোচপোল, কাঠুরিয়া-সহ বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে রাতে ৫-৬টি গাড়ি করে উদ্ধার হওয়া বাজি নিয়ে যাওয়া হয় থানায়।
স্থানীয়দের দাবি, বাড়ি ভাড়া নিয়ে বেআইনি বাজির কারবার ফেঁদে বসেছিল কেরামত আলি। গুদামে বিস্ফোরণের পরেও মজুত ছিল প্রচুর রাসায়নিক। পাশেই আরও একটি বন্ধ ঘরে বাজি ঠাসা ছিল বলে দাবি স্থানীয়দের।
ঘন জনবসতি এলাকায় এ ধরনের গুদাম থাকায় আতঙ্কিত ছিলেন এলাকার বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, এর আগেও গুদাম ভাড়া করে বাজির কারবার চালাত কেরামত। বসতি এলাকায় বিপজ্জনক ব্যবসা নিয়ে আপত্তি জানালে কেরামত আলি হুমকিও দিত বলে অভিযোগ।
জানা গিয়েছে, দত্তপুকুরের মোচপোল গ্রামে রমরমিয়ে চলত কেরামত আলির বেআইনি বাজি কারবার। বিস্ফোরণস্থলের কয়েকশো মিটার দূরে মজুত করা ছিল বাজি ও রাসায়নিক। ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেরামত ও তার ছেলে-সহ ৯ জনের মৃত্যুর ২ দিন পর, মোচপোল গ্রামে ফের বাজির পাহাড়ের খোঁজ পাওয়া গেল।
