
বাঁকুড়া, ১১ মে : বাঁকুড়ায় রানীবাঁধের শুশনিগড়িয়া গ্ৰামে সম্পত্তিগত বিবাদের জেরে ঘটে যাওয়া খুনের ঘটনায় সাত অভিযুক্তকে গ্ৰেফতার করেছে পুলিশ।তাঁদের মধ্যে একজন নাবালক। ধৃতদের বৃহস্পতিবার খাতড়া মহকুমা আদালতে পেশ করা হলে ধৃতদের পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়।
এদিন এক সাংবাদিক সম্মেলনে এই ঘটনা প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার জানান, শুশনিগড়িয়ার কাছে গত ৬ মে ক্ষতবিক্ষত একটি মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃতদেহটি শুশনিগেড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা পেশায় কৃষক গনেশ মুদির বলে চিহ্নিত করে তাঁর পরিবারের লোকজন। ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ মৃত গনেশ মুদির সঙ্গে তাঁর আত্মীয়দের জমিজমার দখলদারি নিয়ে বিবাদের কথা জানতে পারে। এরপরই আত্মীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে অরবিন্দ মুদি ও কুশ মুদি নামের মৃতের দুই আত্মীয় প্রথম গনেশ মুদিকে খুনের পরিকল্পনা করে। অভিযোগ, খুনের কাজে লাগানো হয় এক নাবালক-সহ আরও পাঁচ আত্মীয়কে। ৬ মে সকালে গনেশ মুদিকে বাড়ি থেকে ভূতগেড়িয়া আমবাঁধ এলাকায় ডেকে নিয়ে যায় দাশু মুদি নামের তাঁর এক আত্মীয়। সেখানেই অরবিন্দ মুদি, কুশ মুদি-সহ সাত জন মিলে রডের সাহায্যে মাথায় আঘাত করে খুন করে গনেশ মুদিকে। ওই সাত জনকে বুধবার শুশুনিগেড়িয়া গ্রাম থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদিন তাঁদের খাতড়া মহকুমা আদালতে পেশ করে পুলিশ।পাঁচ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয় বিচারক।
