Breaking News
 
ssc-omr-sheets : রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নাম প্রকাশের দিনেই প্রকাশ্যে শিক্ষক নিয়োগের ওএমআর শিট, বাড়ল বিতর্ক TMC: অষ্টাদশ বিধানসভায় তৃণমূলের বিরোধী দলনেতা হচ্ছেন শোভনদেব; গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ফিরহাদ-নয়নারা Narendra Modi: জনসমুদ্রে ‘সোনার বাংলা’র অঙ্গীকার! গেরুয়া ঝড়ে কাঁপল কলকাতা, ব্রিগেডে জনতার শক্তির জয় Suvendu Adhikari: প্রতিশোধ নয়, পরিবর্তনই লক্ষ্য! জোড়াসাঁকো থেকে বিরোধীদের সংযত হওয়ার বার্তা শুভেন্দু অধিকারীর Mamata Banerjee: মমতার অন্ধ স্নেহেই কি ডুবল দল? ফিরহাদ-কন্যার ধৃতরাষ্ট্র-মন্তব্যে পাল্টাহাওয়ার ইঙ্গিত ঘাসফুল শিবিরে Suvendu Adhikari: শ্যামাপ্রসাদের উত্তরসূরি হিসেবে উদয়! ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে বাংলার নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু

 

West Bengal

2 years ago

Ferry closed in Khanakul: খানাকুলে বন্ধ ফেরি, সমস্যা দুই জেলার শতাধিক যাত্রী

Ferry closed in Khanakul  (Symbolic Picture)
Ferry closed in Khanakul (Symbolic Picture)

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ হুগলি এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের সংযোগকারী ফেরি পরিষেবা বন্ধ থাকায় চরম সমস্যায় পড়েছে শত শত যাত্রী। তিন জেলার মানুষকে এর জেরে সমস্যায় পড়তে হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যাত্রী পারাপার বন্ধ থাকায় ক্ষুব্ধ হাওড়া, হুগলি ও পশ্চিম মেদিনীপুরের মুণ্ডেশ্বরী ও রূপনারায়ণ তীরবর্তী এলাকার মানুষজন। স্বাধীনতার ৭৫ বছর কেটে গিয়েছে। হুগলি জেলার খানাকুলের বিভিন্ন এলাকায় কাঠের সেতু কাঠেরই রয়েছে। সেই সব কাঠের সেতু খানাকুলের বিধায়কের নির্দেশে বন্ধ আছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কাঠের সেতু খোলার দাবিতে ফেরি পরিষেবা বন্ধ রেখেছেন পশ্চিম মেদিনীপুর এলাকার মানুষ। যদি খানাকুলের বিজেপি বিধায়ক তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

ফেরি পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থার দাবি, খানাকুলের বিধায়ক সুশান্ত ঘোষের নির্দেশে দুইপারের সংযোগকারী বাঁশের সাঁকো বন্ধ হয়ে আছে। তাই সাঁকোর দাবিতে ফেরি বন্ধ রেখেছেন পশ্চিম মেদিনীপুর এলাকার মানুষ। এর জেরে যাতায়াত করতে সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। এ বিষয়ে যাত্রীরা বলেছেন, “ফেরি সার্ভিস বন্ধ রয়েছে। খুব সমস্যায় পড়েছি। এখানে এসে বসে আছি। ও পারে যাওয়ার কোনও উপায় পাচ্ছি না।”

খানাকুলের বিজেপি বিধায়ক সুশান্ত ঘোষ তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, “খানাকুল বিধানসভায় যে সমস্ত ফেরিঘাট আছে সেগুলিতে অবৈধভাবে টাকা নেওয়া হয়। ইচ্ছামতো ভাড়া নেওয়া হয়। কোনও নিয়ম মানা হয় না। আমরা পঞ্চায়েত সমিতিতে জেতার পর সিদ্ধান্ত নিয়েছি যেহেতু এই ঘাটগুলি কোন বিধি-নিষেধ মানেনি, তাই এদের ক্ষেত্রে পুনরায় নতুন ভাবে ডাক করা হবে। সেই মতো আমরা ডাকের জন্য তোড়জোড় শুরু করেছি। যে সকল অবৈধভাবে বাঁশের সেতুগুলো বানানো হয়েছে সেই সকল বাঁশের সেতুগুলো বানাতে বারণ করেছি। তৃণমূল কংগ্রেসের কিছু দালাল আছে তৎকালীন পঞ্চায়েত সমিতিতে কোটি কোটি টাকা নয়ছয় করেছে।”

You might also like!