
মালদহ, ২৬ সেপ্টেম্বর : শারোদৎসবের হাতেগোনা আর মাত্র কিছু দিন বাকি। কলকাতার বুটিকে বুটিকে তাঁতের কাপড়ের জন্য ভিড় বাড়ছে। অন্যদিকে, পুরাতন মালদহের ‘তাঁতিপাড়া’-র ছবিটা বিবর্ণ, সেখানে রয়েছে শুধুই হতাশা। এক সময় পুজোর আগে গোটা গ্রামের নাওয়াখাওয়া মাথায় উঠত। এখন যুগ বদলেছে। রেডিমেড পোশাকের রমরমায় বায়না কমেছে। এক সময়ে পুজো আসলে গোটা উৎসবের মেজাজে মেতে উঠত গ্রাম। তাঁতের আওয়াজে ঘুম ভাঙত পাড়ার।
'তাঁতিপাড়া' নামে পরিচিত পুরাতন মালদহের সাহাপুরের তাঁতশিল্পীরা জানিয়েছেন, আজকাল আর শাড়ির বায়না মেলে না, তাই বাধ্য হয়ে জামা-পাঞ্জাবির বরাতেই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে তাঁদের। সরকারি সাহায্যের আর্তি জানাচ্ছেন সাহাপুর-মঙ্গলবাড়ির তাঁতশিল্পীরা। মালদহ জেলা পরিষদের সভাধিপতি লিপিকা বর্মন ঘোষ বলেছেন, বাংলার তাঁতশিল্পকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে রাজ্য সরকার। যদিও, হতাশাই দেখা গেল তাঁতশিল্পীদের চোখে-মুখে।
