
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ এ রাজ্যে একের পর এক এমন ঘটনা ঘটলেও উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুর থানা এলাকার ‘বাজি মহল্লা’ রয়ে গিয়েছে আগের মতোই। রবিবার সকাল থেকে ওই এলাকার মোচপোল, পশ্চিমপাড়া, বেরুনানপুকুরিয়া, নারায়ণপুর, কাঠোর, জালশুখা বা নীলগঞ্জের বিভিন্ন পাড়ায় ঘুরে দেখা গেল, বহু জায়গাতেই ঘরে ঘরে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ বাজি। পুলিশ-প্রশাসনের নজরদারির চিহ্ন নেই। বিস্ফোরণে এত মৃত্যু দেখেও সচেতনতার বালাই নেই স্থানীয়দেরও। প্রশ্ন উঠছে, এত বড় ঘটনার পরেও পরিস্থিতির বদল না হলে আর কবে হবে?
বাজির জন্য বিখ্যাত নারায়ণপুর,অন্যান্য বারের মতো আর নেই। পর পর দোকানের শাটার নামানো।তবে কি পরিস্থিতি থেকে শিক্ষা নিয়েছেন মানুষ? কিছু পরেই ভুল ভেঙ্গে গেল, দেখা গেল, একটি বাড়ির উঠোনে প্রচুর চরকি রোদে শুকোতে দেওয়া হয়েছে। জালশুখাতেও একই ছবি চোখে পড়ল, প্রায় প্রতিটি বাড়ির উঠানেই বাজি শুকানোর পালা চলছে।
বাজির বিস্ফোরণে এত মৃত্যুর পরেও এ ভাবে বাজি বিক্রি হয় কী করে? বারাসত পুলিশ জেলার সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায়ের আশ্বাস, ‘‘দ্রুত খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। কড়া পদক্ষেপ করা হবে।’’ কেন এত দিন করা হয়নি? তবে কি পুলিশি নজরদারিতে ফাঁক রয়েছে? উত্তর নেই। বিস্ফোরণ হওয়া বাড়ির পাশের এক বাসিন্দা বললেন, ‘‘আবারও ধরপাকড় হবে হয়তো, কিন্তু বাজির রক্তবীজ যাবে না।’’
