Breaking News
 
Vivekananda Merit Scholarship :শিক্ষাক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ, মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের জন্য চালু হল বিবেকানন্দ মেরিট স্কলারশিপ Chief Minister Suvendu Adhikari : র্নীতি ও কাটমানি খতিয়ে দেখতে কমিশন গড়লেন শুভেন্দু, সঙ্গে নারী নির্যাতন নিয়েও আলাদা কমিশন CM Suvendu Adhikari starts Janatar darbar : সল্টলেকে বিজেপি দফতরে শুভেন্দুর ‘জনতার দরবার’, জনতার সমস্যা শুনে মিলল স্বস্তি Suvendu Adhikary: “কাশ্মীরে বন্ধ হয়েছে, এখানেও হবে”—পার্ক সার্কাসে দাঁড়িয়ে শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি ,গ্রেফতার ৪০ Suvendu Adhikari :রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড়, আর জি কর ইস্যুতে স্বাস্থ্যসচিবকে জরুরি তলব মুখ্যমন্ত্রীর Annapurna Bhandar : অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার স্কিমে নতুন ঘোষণা, ১ জুন থেকেই ৩ হাজার টাকা পাবেন নির্দিষ্ট উপভোক্তারা

 

West Bengal

2 years ago

Trinamool MLA Jibankrishna:হাইকোর্টের নির্দেশে ভেঙে দেওয়া অফিস তাঁর নয়, দাবি জীবনকৃষ্ণর

Trinamool MLA Jibankrishna
Trinamool MLA Jibankrishna

 

কলকাতা, ১ জুন  : মুর্শিদাবাদের বড়ঞা-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের আফ্রিকা মোড়ের ভেঙে দেওয়া অফিস তাঁর ছিল না। নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এরকমই দাবি করেন। পাশাপাশি তিনি এ-ও জানান, নির্মাণ বেআইনি হলে তা ভেঙে ফেলা উচিত।

বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ ওঠার পর হাই কোর্টের নির্দেশে সম্প্রতি সাতটি দোকান সম্প্রতি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, তারই মধ্যে একটিতে মাঝেমধ্যে বসতেন। এই দোকানঘরটিকেই নাকি নির্বাচনী কার্যালয় হিসাবে ব্যবহার করেছিলেন তিনি। এয়দিন আলিপুর স্পেশাল সিবিআই আদালতে প্রবেশ করার সময় বড়ঞা তৃণমূল বিধায়ক ওই দাবি অস্বীকার করেন।

নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বিচার বিভাগীয় হেফাজত শেষে বৃহস্পতিবার সকালে জীবনকৃষ্ণ-সহ মোট ৯ জনকে আলিপুর স্পেশাল সিবিআই আদালতে পেশ করা হয়। আদালতে প্রবেশ করার সময় জীবনকৃষ্ণকে তাঁর বিভিন্ন অফিস ভেঙে দেওয়ার বিষয়ে মতামত জানতে চাওয়া হলে উত্তরে তিনি বলেন, ‘‘বেআইনি হলে তা তো ভাঙবেই।’’

পাশাপাশি তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়, তিনি নিজে কোনও বেআইনি কাজ করতেন কি না? যদিও এই প্রশ্নের উত্তর সন্তর্পণে এড়িয়েই যেতে দেখা যায় ধৃত তৃণমূল বিধায়ককে। বদলে তিনি বলেন, ‘‘ওটা আমার অফিস নয়। কে বলল ওটা আমার অফিস?’’ এর পরই আদালতের ভিতরে চলে যান জীবনকৃষ্ণ।

প্রসঙ্গত, বড়ঞার স্থানীয় কংগ্রেস নেতাদের অভিযোগ ছিল, বড়ঞা-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের আফ্রিকা মোড়ের বাজারে অবৈধ নির্মাণ বানিয়ে রমরমিয়ে ব্যবসা চালাচ্ছেন পঞ্চায়েত প্রধান এবং তাঁর স্বামী। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে হওয়া মামলায় অবৈধ নির্মাণ ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। এর পরই সেই অবৈধ নির্মাণ ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ভেঙে দেওয়া দোকানগুলির মধ্যে একটি জীবনকৃষ্ণের কার্যালয় ছিল বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। যদিও স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, ওই দোকানঘরের সঙ্গে জীবনকৃষ্ণের কোনও সম্পর্ক নেই। জীবনকৃষ্ণ যদি কখনও সেখানে বসেও থাকেন, তবুও সেটিকে কার্যালয় বলে মানতে নারাজ স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। একই কথা বৃহস্পতিবার শোনা গেল জীবনকৃষ্ণের মুখ থেকেও।


You might also like!