
জলপাইগুড়ি, ৬ এপ্রিল : আইনজীবীর আত্মহত্যার ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হলেন ডাবগ্রাম ফুলবাড়ির বিজেপি বিধায়ক তথা মৃতার দিদি শিখা চট্টোপাধ্যায়।
গত শনিবার জলপাইগুড়ি শহরের পাণ্ডাপাড়া রোডে আত্মহত্যা করেন আইনজীবী তথা সমাজকর্মী সুবোধ ভট্টাচার্য এবং তাঁর স্ত্রী অপর্না ভট্টাচার্য। পুলিশ উদ্ধার করে একটি সুইসাইড নোটও। সেখান আত্মহত্যার জন্য জেলা যুব সভাপতি তথা পুরসভার ভাইরাস চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায় ছাড়াও আরও তিনজনের নাম পাওয়া যায়।
ওই সুইসাইড নোট প্রকাশ্যে আসার পরই নয়া মোর ঘটনায়। এরপরেই আত্মহত্যার প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে জলপাইগুড়ি কোতয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ করেন ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি বিজেপি বিধায়ক শিখা। অভিযোগ দায়ের করার পরেও এখন কেন অভিযুক্তরা গ্রেফতার হল না, এ বিষয় জানার জন্য বৃহস্পতিবার কোতয়ালি থানায় আসেন শিখা।
তাঁর অভিযোগ, এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতি তথা পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায়। শিখার দাবি, ভাইস চেয়ারম্যান স্বাভাবিকভাবেই প্রভাবশালী। তাই ঘটনার তদন্তকে প্রভাবিত করতে পারেন। তাঁকে ওই পদে রেখে এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত সম্ভব নয়। যে কারণে তাঁকে তাঁর পদ থেকে সরাতে এবং সিবিআই তদন্তের জন্য এবার মুখ্যমন্ত্রীর দারস্থ বিজেপি বিধায়ক।
