
কলকাতা, ২৮ নভেম্বর : 'কালো পোশাক পরে এখানে যারা বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন, তাদের এমন অনেক কিছু আমি জানি যে মুখ খুললে পালাবার পথ পাবে না।'বিধানসভা অধিবেশন থেকে কক্ষত্যাগ করে বিজেপি-র শোরগোলের সময় এই মন্তব্য করেন তৃণমূল বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয়। সকাল সকাল বিজেপি সমর্থকেরা প্ল্যাকার্ড হাতে কালো পোশাক পরে হাজির হন বিধানসভায়। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, মানিক ভট্টাচার্য ও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ছবি দিয়ে ‘চোর’ লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিজেপি বিধায়কদের বিক্ষোভ। সঙ্গে চলে চোর চোর, পার্থ কোথায়, বালু কোথায় ধ্বনি। বিজেপি বিধায়কদের এই বিক্ষোভ কর্মসূচিকে তীব্র কটাক্ষ তৃণমূল বিধায়ক ও মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়।
বিধানসভা থেকে ওয়াকআউটের পর অধিবেশনের কক্ষের বাইরে লাগাতার বিক্ষোভে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ সমস্ত বিজেপি বিধায়কেরা। এর জেরে ব্যাপক অশান্ত হয় বিধানসভা সভা চত্বর। সেখানে দাঁড়িয়েই তোপ দাগেন বালিগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয়।
তিনি বলেন, 'চোরের মায়ের বড় গলা। এখানে দাঁড়িয়ে যারা চোর চোর করে চিল্লাচ্ছে, তাঁরা প্রতি স্কোয়ার ফিট কত টাকা করে নেয় সব জানি। আমি যদি একবার মুখ খুলি, পালিয়ে বাঁচবে না। কিন্তু আমি শুধু মুখ খুলছি না এই কারণে যে আমি বিশ্বাস করি এক ড্রেসিংরুমে থাকলে নোংরা লিনেন বাইরে ধোওয়া উচিত নয়।'
এখানেই শেষ নয়, তৃণমূল বিধায়ক বাবুল সু্প্রিয় নাম করে দিলীপ ঘোষকে কটাক্ষ করে বলেন, 'আসানসোলে দিলীপবাবু তো একের পর এক কয়লা মাফিয়াকে সাইন করাচ্ছিলেন। আমি একমাত্র এর প্রতিবাদ করি। এই যে দিলীপ ঘোষ রোজ সকালে হাঁটতে গিয়ে বড় বড় কথা বলেন, এক বছর ধরে কোন ব্যবসায়ীর বাড়িতে ছিলেন উনি? কে তাঁকে ওই বিশাল বাড়িটায় থাকতে দিয়েছিল? উনি যে হাতে ঘড়িটা পরেন, কোথা থেকে পেলেন ঘড়িটা? ওই ঘড়িটা পরার মতো ক্ষমতা রয়েছে ওঁর? সোনার ইয়ে করা...কোথা থেকে এসব আসে?'
