Breaking News
 
Chinmoy Prabhu: চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবিতে কলকাতায় ফের বিক্ষোভ, সন্ন্যাসীদের মিছিলে পুলিশি বাধায় উত্তেজনা Flydubai Attack: ৯/১১-র পর বিমানে ‘অস্ত্র’ নিয়ে বড় বদল, সেই নিয়মের সুযোগেই জঙ্গি হামলা? প্রকাশ্যে সরকারি বিবৃতি Siliguri Cow Smuggling Row: গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে মৃত্যু যুবকের, ভাঙচুর একাধিক গাড়ি, উত্তেজনা WB Special Ration Package: পুজোর আগে রেশনে ‘ফেস্টিভ প্যাকেজ’! অর্ধেক দামে ময়দা-চিনি-সুজি, জানুন বিস্তারিত Suvendu on Mamata : নন্দীগ্রামে মমতার চোট নিয়ে ফের তদন্তের নির্দেশ, রিপোর্ট হাতে শুভেন্দু, ভোটের পর শুরু তদন্ত প্রক্রিয়া Bayron Biswas: বাড়িতেই অগ্নিদগ্ধ ঋতব্রতপন্থী বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস, শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক

 

West Bengal

1 month ago

Bengal STF : হামিমের পর রানাকে ঘিরে চাঞ্চল্য, তপসিয়ায় আইএসআই এজেন্টের ঘাঁটির অভিযোগ; হাবড়ায় ধরা

Bengal STF
Bengal STF

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যে ফের কি আইএসআই-র জাল? বেঙ্গল এসটিএফের জালে পাকিস্তানি নাগরিক! উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া থেকে সন্দেহভাজন এক পাকিস্তানি নাগরিককে গ্রেফতার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ধৃতের নাম রানা রাউফ ওরফে ওয়াহাব। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, কলকাতার তপসিয়া এলাকায় ঘাঁটি গেড়ে ছিল সে। তার নামে ভুয়ো আধার ও ভোটার কার্ড তৈরির অভিযোগও উঠেছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, ধৃতের সঙ্গে আইএসআই-ঘনিষ্ঠ জঙ্গি নেটওয়ার্কের যোগ থাকতে পারে। দিন কয়েক আগেই পূর্ব বর্ধমান থেকে হামিম মণ্ডল নামে এক সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছিল এসটিএফ। এবার তার জেরেই নয়া গ্রেফতারি কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ঘটনা ঘিরে নিরাপত্তা মহলেও শুরু হয়েছে জোর তৎপরতা।

সম্প্রতি জইশ ই মহম্মদের সদস্য হামিম মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করেছিল এসটিএফ। তাঁকে জেরা করে আরও এক সঙ্গীকে পাকড়াও করা হয়েছে। হামিম হাওড়ার পিলখানা এলাকায় ঘাঁটি গেড়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর গতিবিধির উপর নজর রেখে সেসব তথ্য সংগ্রহ করাই ছিল হামিমের কাজ! ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদের মধ্যেই এবার আইএসআই জঙ্গি সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হল এই রানা রাউফকে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, হাবড়া থেকে এলাকা থেকে এই সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে বেঙ্গল এসটিএফ। খাস কলকাতার তপসিয়া এলাকায় বেশ কয়েক মাস ধরেই সে থাকছিল। পাকিস্তানের এই যুবক বাংলায় থাকার জন্য এদেশের নকল আধার-ভোটার কার্ড তৈরি করেছিল। কলকাতারই এক ব্যক্তি তাকে এই নকল আধার-ভোটার কার্ড করে দেয়। তাকেও গ্রেপ্তার করেছেন তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, রানা ছুতোর মিস্ত্রির কাজ করত এলাকায়। নকল পরিচয়পত্রে পাওয়া এই নামও আসল নয় বলেই প্রাথমিক অনুমান তদন্তকারীদের। কিন্তু কলকাতায় ঘাঁটি তৈরি করার আসল উদ্দেশ্য কী? গুপ্তচরবৃত্তি করে তথ্য পাঠানোই কাজ ছিল ধৃতের! এখন অবধি কী কী তথ্য সে জোগাড় করে বাইরে পাঠিয়েছে? সেইসব খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক অনুমান, ভারতীয় রেল ও সেনার বিভিন্ন গতিবিধির উপর নজর রাখছিল এই সন্দেহভাজন!  

ধৃতের সঙ্গে কাদের যোগাযোগ ছিল? ফোনের মাধ্যমে কাদের সঙ্গে কথা বলত রানা? কোন কোন বাইরের নম্বর থেকে ফোন আসত? বাইরে কাদের ফোন করা হত? সেইসব তথ্যও ধৃতকে জেরা করে পাওয়ার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, রানা নেপাল সীমান্ত দিয়ে ২০১২ সালে ভারতে ঢুকে কলকাতায় এসেছিল। কিন্তু হাবড়ায় গিয়েছিল কেন সে? তাহলে কি হামিম গ্রেপ্তারির পরে বাংলাদেশে পালানোর ছক কষছিল সে? সেইসব তথ্য পাওয়ার চেষ্টা করছে এসটিএফ।

You might also like!