
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দু'দিনের সফরে যখন দিঘায় আছেন,ঠিক তখন দিঘা থেকে নিখোঁজ হলেন,অসমের এক বাসিন্দা। সূত্রের খবর,ইতিমধ্যে অসম পুলিশের পক্ষ থেকে ওই ব্যক্তির সম্পর্কে খোঁজ খবর নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, গত ৩ এপ্রিল কলকাতা থেকে বাসে করে অসমের গৌরীপুর থেকে দিঘার বেড়াতে আসেন ওই ব্যক্তি। এরপর তাঁরা নিউ দিঘার একটি বেসরকারি হোটেলে ওঠেন। পরে সপরিবারে হোটেলে রুমে ঘুমাতে চলে যান। পরের দিন সকালে উঠে বাকিরা দেখেন, ওই বৃদ্ধ রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ।
মুখ্যমন্ত্রী দিঘাতে দুটি জায়গার নামকরণ করেছেন,একটি সভা করেছেন,দিঘা প্রেস ক্লাবে মিটিং করেছেন। আবার দিঘায় জগন্নাথ মন্দির নিয়ে খোঁজ খবর নিয়েছেন, ঠিক তখনই ঘটে এই ঘটনা। মুখ্যমন্ত্রী থাকার কারণে সৈকত নগরী উপকূলবর্তী এলাকায় নাকা চেকিং রয়েছে। তারপরেও হোটেল থেকে ভিন রাজ্যের পর্যটক নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘটা ওই ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে বুধবার বিকেলের দিকে৷ ইতিমধ্যে দিঘা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন নিখোঁজ ব্যক্তির মেয়ে। অভিযোগে ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে দিঘা থানার পুলিশ। বস্তুত, মুখ্যমন্ত্রীর সফর ঘিরে সৈকত নগরী দিঘায় গত কয়েকদিন ধরেই চলছে পুলিশি নাকা চেকিং৷ তারপরেও হোটেলের ঘর থেকে একজন ব্যক্তি কীভাবে নিখোঁজ হতে পারেন, তা নিয়ে ক্রমেই ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য৷
পুলিশ সূত্রে খবর, হোটেলের সিসি ক্যামেরায় দেখা যায়,ভোরের দিকে ওই ব্যক্তি হোটেল লনে পায়চারি করেছন। অসমের গৌরীপুর থেকে দিঘায় সপরিবারে বেড়াতে এসেছিলেন ঘনকান্ত দাস (৬৭)৷ নিউ দিঘার একটি বেসরকারি হোটেলের উঠেছিলেন তাঁরা৷ পরের দিন সকাল থেকে ঘনকান্ত দাসের খোঁজ মেলেনি৷ নিখোঁজ ওই ব্যক্তির মেয়ে ধুলিকনা দাস বলেন, “৫ জন মিলে দিঘায় বেড়াতে এসেছিলাম। রাতেই বাসে করে নিউ দিঘার একটি হেটেলে উঠি। ক্লান্ত থাকায় সকলে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। সকালে উঠে দেখি, বাবা নিখোঁজ।’’ দিঘার থানার ওসি কামার হাসিদ বলেন “মিসিং ডায়েরির ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে৷’’
ঘনকান্ত দাসের কন্যা ধূলিকণা বলেছে, "শুনেছি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিঘায় রয়েছেন৷ তাঁর কাছে অনুরোধ করবো, আমার বাবাকে অক্ষত অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করার জন্য৷’’ সূত্রের খবর,সেই আবেদন মুখ্যমন্ত্রী শুনেছেন।তিনি দিঘা পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন, দ্রুত তদন্ত করার জন্য।
