
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: জিনিয়ার রঙের ঘনত্বের পাশে কসমসের হালকা, পালকের মতো পাতা এবং নমনীয় ডালপালা একটি চমৎকার ভারসাম্য তৈরি করে। কসমস গাছ সাধারণত জিনিয়ার চেয়ে কিছুটা লম্বা হয়, তাই এগুলোকে জিনিয়ার পেছনে লাগালে বাগানে একটি সুন্দর 'লেয়ার' বা স্তর তৈরি হয়।
সালভিয়া: লাল, নীল রঙের সালভিয়াও দেখতে খুব সুন্দর। এই গাছও পরাগ সংযোগের জন্য পাখি, প্রজাপতি, পতঙ্গদের আকৃষ্ট করে।জিনিয়ার পাশাপাশি সালভিয়া গাছটির বেড়ে ওঠার জন্যও পূর্ণ সূর্যালোকের প্রয়োজন। গাছের জন্য দরকার উপযুক্ত জল নিকাশি ব্যবস্থা। টবে বসান বা বাগানে, মাটিতে যেন জল না বসে তা দেখতে হবে।
পিওনি: পিওনিও গ্রীষ্মের ফুল।রঙিন থোকা থোকা ফুল ফুটলে জিনিয়ার সঙ্গে মানাবে ভাল। পিওনি গাছও অল্প যত্নেই বেড়ে ওঠে। জিনিয়া যেখানে ফুটছে, সেখান থেকে একটু ফাঁক দিয়ে পিওনি বসিয়ে নিন। এই গাছ বেড়ে ওঠার জন্য ৬ ঘণ্টা সূর্যালোকের প্রয়োজন।
নয়নতারা: অল্প পরিচর্যাতেই বেড়ে ওঠে নয়নতারা গাছ। জিনিয়া, পিওনি, সালভিয়ার সঙ্গে লাগাতে পারেন নয়নতারাও। গ্রীষ্মের বাগিচা নয়নতারায় ভরে থাকলে দেখতে বেশ সুন্দর লাগবে।তা ছাড়া, এই গাছে চট করে পোকামাকড়ও হয় না। ফলে এই গাছও বাগানে রাখতে পারেন।জিনিয়া, পিওনি, সালভিয়া, নয়নতারা একসঙ্গে ফুটে থাকলে বাগান রঙিন হয়ে উঠবে। গরম পড়ার আগেই বসিয়ে ফেলুন চারা।
