
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: বাস্তুশাস্ত্রে বাড়ীর প্রধান দরজাকে বলা হয় সুখ-শান্তির প্রবেশদ্বার। শাস্ত্র মতে, ব্রহ্মাণ্ডের ইতিবাচক শক্তি বা ‘প্রাণ’ এই পথেই গৃহস্থের অন্দরমহলে প্রবেশ করে। যদি এই প্রবেশদ্বারে কোনো বাধা বা বাস্তুদোষ থাকে, তবে ঘরের বাসিন্দাদের প্রগতি থমকে যেতে পারে। তাই দরজার রং থেকে শুরু করে তার সামনে কী রাখা উচিত আর কী নয়—প্রতিটি খুঁটিনাটি বিষয়ের ওপর নজর দেওয়া প্রয়োজন। সঠিক বাস্তু নিয়ম মেনে চললে কেবল আর্থিক সমৃদ্ধিই আসে না, বরং পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সুসম্পর্ক এবং মানসিক প্রশান্তিও বজায় থাকে।
কখন দরজায় বাস্তুদোষ হয়?
বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী, যদি বাড়ির প্রধান দরজা ভুল দিকে থাকে বা দরজার পাল্লা ভুল দিকে খোলে, তা হলে সেই বাড়িতে বাস্তুদোষ সৃষ্টি হতে পারে। এর ফলে পরিবারের সদস্যদের জীবনে নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে।
দরজার দিক —
বাস্তুমতে, যদি বাড়ির প্রধান দরজা দক্ষিণ, দক্ষিণ-পূর্ব বা দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে থাকে, তা হলে তা বাস্তুদোষের কারণ হতে পারে। এই ধরনের দরজা দিয়ে নেতিবাচক শক্তি সহজেই ঘরে প্রবেশ করতে পারে বলে বিশ্বাস করা হয়।
ভাঙা বা নোংরা দরজা —
যদি বাড়ির প্রধান দরজা ভাঙা, ক্ষতিগ্রস্ত বা সবসময় নোংরা থাকে, তা হলে তা খুবই অশুভ বলে মনে করা হয়। বাস্তু শাস্ত্র অনুযায়ী এমন দরজা দিয়ে দেবী লক্ষ্মীর প্রবেশ করেন না। পরিবারে আর্থিক সমস্যাও দেখা দিতে পারে।
দরজা খোলা বা বন্ধ করতে সমস্যা —
যদি প্রধান দরজা খোলা বা বন্ধ করার সময় কড়কড় শব্দ করে বা দরজা আটকে যায়, তা হলে সেটিও বাস্তু দোষের লক্ষণ বলে ধরা হয়। তাই দরজা যেন সব সময় মসৃণ থাকে সেই বিষয়ে খেয়াল রাখুন।
