
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: পরিশ্রম করেও যদি আর্থিক সাফল্য অধরা থেকে যায় বা ঘরে লেগেই থাকে অশান্তির আবহ, তবে তার কারণ শুধুমাত্র ভাগ্য নয়—এমনটাই মনে করেন বাস্তু বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, বাড়ির শক্তির সঠিক ভারসাম্য না থাকলে জীবনে নানা সমস্যা তৈরি হতে পারে। বাস্তু শাস্ত্র অনুযায়ী, বাড়ির প্রতিটি দিক এবং কোণের নিজস্ব প্রভাব রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল উত্তর-পূর্ব দিক, যাকে ‘ঈশান কোণ’ বলা হয়। এই দিকটি দেব-দেবীর স্থান হিসেবে বিবেচিত এবং এটি পরিষ্কার, হালকা ও খোলা রাখা অত্যন্ত জরুরি।
ঈশান কোণে কখনোই আবর্জনা বা অপ্রয়োজনীয় পুরনো জিনিস রাখবেন না। এই কোণটি যত পরিষ্কার এবং ছিমছাম থাকবে, তত দ্রুত আর্থিক সমস্যার সমাধান হবে।
বাড়ির এই উত্তর-পূর্ব কোণে ঠাকুরঘর তৈরি করা সবচেয়ে শুভ। প্রতিদিন সেখানে প্রদীপ জ্বালালে এবং উপাসনা করলে বাড়িতে শান্তি ও সমৃদ্ধি বজায় থাকে।
এই কোণে জলের উৎস রাখা অত্যন্ত শুভ বলে মানা হয়। একটি ছোট জলের ফোয়ারা, অ্যাকোয়ারিয়াম বা পাত্রে জল ভরে রাখলে তা ধন-সম্পত্তিকে আকর্ষণ করে।
ঈশান কোণের দেওয়ালে হালকা এবং শান্ত রং ব্যবহার করা উচিত। সাদা, হালকা নীল বা ক্রিম রং এখানে ইতিবাচকতা বাড়াতে এবং মন শান্ত রাখতে সাহায্য করে।

ঈশান কোণের দেওয়ালে হালকা এবং শান্ত রং ব্যবহার করা উচিত। সাদা, হালকা নীল বা ক্রিম রং এখানে ইতিবাচকতা বাড়াতে এবং মন শান্ত রাখতে সাহায্য করে।
এই দিকে জানালা থাকা জরুরি। সবসময় চেষ্টা করুন যাতে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো এবং বাতাস চলাচল করতে পারে। এটি ঘরের নেতিবাচক শক্তিকে দূর করে।
মনে রাখবেন, উত্তর-পূর্ব কোণ সবসময় হালকা রাখা উচিত। এখানে কোনো বড় আলমারি বা ভারি আসবাবপত্র না রাখাই ভালো।
বাড়ির এই পবিত্র কোণে নিয়মিত সুগন্ধি ধূপ বা মোমবাতি জ্বালান। এর ফলে ঘরে পজিটিভ এনার্জির সঞ্চার বৃদ্ধি পায় যা সরাসরি আপনার উন্নতির পথে সহায়ক হয়।
