Breaking News
 
Assam polls 2026: অসমে বিজেপির প্রথম প্রার্থিতালিকা প্রকাশ, জালুকবাড়ি থেকে ফের লড়বেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা Mamata Banerjee: ‘দিল্লি থেকে রিমোট কন্ট্রোল চলছে!’ অফিসারদের ভিন্‌রাজ্যে পাঠানো নিয়ে কমিশনকে তোপ মমতার West Bengal Assembly Election: পানিহাটিতে হাই-ভোল্টেজ লড়াই! তৃণমূলের দুর্গে বিজেপির বাজি ‘অভয়া’র মা, কোন দিকে ঘুরবে জনমত? West Bengal Assembly Election: ১৩ আইপিএস-এর বিদায় ঘণ্টা বাজল! কিন্তু ভোটের ময়দানে বিধাননগর ও শিলিগুড়িতে কেন পুরনো মুখেই ভরসা? West Bengal Assembly Election: শুভেন্দুর ভবানীপুর সফরে ‘গো ব্যাক’ ধ্বনি! পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে থানা ঘেরাও বিরোধী দলনেতার West Bengal Assembly Election:ভাঙড়ে ফের রক্তপাত! নিভৃত এলাকায় বোমা তৈরির সময় বিপত্তি, বিস্ফোরণে উড়ে গেল চাল

 

Life Style News

1 day ago

Take Care of Yourself: চাপ, অনিদ্রা আর ক্লান্তি—ব্যস্ত জীবনে বাড়ছে মানসিক চাপ,‘সেলফ কেয়ার’-র পরামর্শ মনোবিদের

Mental Stress And Self Care Tips
Mental Stress And Self Care Tips

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:  বর্তমান ব্যস্ত জীবনে অনেকের দিন শুরু হয় মানসিক চাপ নিয়ে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সংসার, অফিস, সন্তান ও পরিবারের দায়িত্ব সামলাতে গিয়ে নিজের দিকে নজর দেওয়ার সময়ই পান না অনেকে। রাত গভীর হলেও ঠিকমতো ঘুম আসে না, মাথায় ঘুরপাক খায় নানা চিন্তা। ধীরে ধীরে এই পরিস্থিতি শরীর ও মনের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।

মনোবিদদের মতে, অন্যের ভাল থাকার আগে নিজের ভাল থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ শরীর ও মন সুস্থ না থাকলে পরিবারের দায়িত্ব বা কর্মক্ষেত্রের চাপ সামলানো আরও কঠিন হয়ে ওঠে। তাই প্রতিদিনের ব্যস্ততার মধ্যেও নিজের জন্য কিছুটা সময় রাখা জরুরি।

চলুন জেনে নিই কীভাবে নিজের যত্ন নেবেন -

১। শারীরিক যত্ন: কাজের চাপ সামাল দিতে হলে সু্স্থ থাকা দরকার। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে শরীরে বদল আসে। সঠিক খাওয়া, ঘুমের অভাব হলে নানা রোগ বাসা বাঁধতে পারে। হরমোনের ওঠা-পড়াও হতে পারে। তাই শরীর সুস্থ রাখা দরকার। তার প্রাথমিক শর্ত হল স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া, সময়ে খাওয়া এবং শরীরচর্চা করা। আর এক জরুরি শর্ত, ক্লান্ত লাগলে, অসুস্থ বোধ হলে একেবারেই তা অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া। শরীর ঠিক থাকলে, কাজ-সংসার সব সামলানো যাবে।

২। মনের খেয়াল: শরীরের মতো মনেরও বিশ্রাম দরকার। শরীরের মতো মনও খারাপ হতে পারে। যদি সেই মন খারাপ দীর্ঘস্থায়ী হয়, শরীরেও প্রভাব ফেলে, তবে মনোবিদ বা মনোরোগ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া দরকার।

মন ভাল রাখার প্রাথমিক শর্তই হল নিজেকে সময় দেওয়া। নিজের ভাললাগা, শখগুলিকে প্রশ্রয় দেওয়া। সিনেমা দেখা, বাইরে খাওয়া, ঘোরা, পছন্দের বই পড়া, আড্ডা— যাঁর যেটি ভাল লাগে, সপ্তাহশেষে একটি দিন বরাদ্দ করতে পারেন সেই কাজেই। মানসিক চাপ বেশি থাকলে, মেজাজ নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারলে প্রাণায়াম অভ্যাস করতে পারেন। মাসখানেক পর ধীরে ধীরে মন সংযত হবে। তবে যদি এতে কাজ না হয়, চিকিৎসকের সাহায্য নেওয়া প্রয়োজন।

৩। সামাজিক সংযোগ জরুরি: ভাল থাকতে চাইলে কাছের মানুষের সঙ্গে জুড়ে থাকাও জরুরি। ভাল বন্ধু, আত্মীয়-পরিজন— যাঁদের সঙ্গে কথা বলতে ভাল লাগে, মন হালকা হয়, তাঁদের সঙ্গে সংযোগ রাখাটাও জরুরি। ফোন বা সমাজমাধ্যম যথেষ্ট নয়, মাঝেমধ্যে দেখা-সাক্ষাৎ করাও জরুরি। পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়া, বন্ধুরা মিলে হইহই করা, ঘোরা, খেতে যাওয়ার মধ্যেও নিজেকে ভাল রাখার রসদ মেলে।

৪। আবেগকে গুরত্ব দেওয়া:  কখনও মন বিষণ্ণ হয়ে থাকে, কখনও কোনও কিছুই ভাল লাগে না। কারও আবার কথায় কথায় রাগ হয়ে যায়। চেঁচিয়ে ফেলেন। রাগ, দুঃখ, ভালবাসা, উদ্বেগ— এই অনুভূতিগুলিকে নিয়ন্ত্রণে রাখাও নিজের ভাল থাকার জন্য জরুরি। কখনও অসুস্থতার জন্য, কখনও অত্যধিক কাজের চাপে, কখনও হরমোনের ভারসাম্যের অভাবে আবেগ-অনুভূতি নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে কষ্টের কথা বিশ্বাসযোগ্য কাউকে বলা যেতে পারে। কাউন্সেলিং বা থেরাপিরও প্রয়োজন হতে পারে।

৫। পেশাগত বিষয়: পেশার চাপ অনেক সময়ে জীবনে বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কাজের চাপ এবং লক্ষ্যের মধ্যে সামঞ্জস্য থাকা জরুরি। কারও আবার পেশাগত পরিবেশও অসহ্য লাগে বলে মনে চাপ বাড়ে। সে ক্ষেত্রে নতুন কোনও কাজের খোঁজ পেলে যদি লাভ হয়, সেই চেষ্টা করা যেতে পারে। পেশাগত ক্ষেত্রে উন্নতি মানে দিনের সিংহভাগ সেখানে দিয়ে দেওয়া নয়। বরং কাজ এবং ব্যক্তিজীবনে সীমারেখা থাকা প্রয়োজন। 

তাই সুস্থ ও সুখী জীবনযাপনের জন্য নিজেকে অবহেলা না করে প্রতিদিন কিছুটা সময় নিজের জন্য রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। এতে মানসিক চাপ কমবে এবং জীবনে আবারও ফিরে আসবে ইতিবাচকতা ও আনন্দ। 

You might also like!