Life Style News

1 hour ago

Food Awareness: চকচকে আঙুরে লুকিয়ে থাকতে পারে কীটনাশক! সঠিকভাবে না ধুলে বাড়তে পারে ঝুঁকি

Grapes
Grapes

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: বাজারে টাটকা সবুজ ও কালো আঙুর দেখলেই জিভে জল আসে। স্বাস্থ্যকর ফল হিসেবে অনেকেই নিয়মিত আঙুর খান। কিন্তু এই আকর্ষণীয় ফলের গায়েই যে ক্ষতিকর কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ থাকতে পারে, সে কথা কি ভেবেছেন? চাষের সময় ফলন বাড়াতে এবং পোকামাকড়ের আক্রমণ ঠেকাতে নানা রাসায়নিক স্প্রে করা হয়। সেই রাসায়নিক অনেক সময় ফলের গায়ে থেকেই যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আঙুরের খোসা খুবই পাতলা এবং ফলগুলো গুচ্ছাকারে থাকে। ফলে স্প্রে করা কীটনাশক দানা ও ফাঁকফোকরে জমে থাকার সম্ভাবনা বেশি। বিভিন্ন খাদ্য নিরাপত্তা সংস্থার সমীক্ষাতেও দেখা গিয়েছে, বাজারে বিক্রি হওয়া কিছু ফলের তুলনায় আঙুরে কীটনাশকের মাত্রা তুলনামূলক বেশি পাওয়া যায়। তবে তাই বলে আঙুর খাওয়া বন্ধ করার প্রয়োজন নেই। বরং সঠিক উপায়ে পরিষ্কার করলেই ঝুঁকি অনেকটাই কমানো যায়। শুধু কলের জলে ধুয়ে নিলেই সব রাসায়নিক দূর হয় না। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন—

* এক লিটার জলে এক চামচ লবণ মিশিয়ে তাতে আঙুর ১৫–২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এতে গায়ে লেগে থাকা জীবাণু ও রাসায়নিক দূর্বল হয়।

* খাবার সোডা (বেকিং সোডা) মেশানো জলে ১০–১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখলে কীটনাশকের স্তর ভাঙতে সাহায্য করে—এমন তথ্য বিভিন্ন খাদ্য গবেষণায় উঠে এসেছে।

* গুচ্ছ থেকে আঙুর আলাদা করে নিন। তারপর পরিষ্কার জলে ২–৩ বার ধুয়ে নিন। এতে ফাঁকে জমে থাকা ময়লা বেরিয়ে আসে।

* ধোয়ার পর পরিষ্কার কাপড় বা টিস্যু দিয়ে মুছে নিলে বাড়তি আর্দ্রতা ও চলে যায়

* অনেকে ফল সরাসরি ফ্রিজে তুলে রাখেন। কিন্তু না ধুয়ে ফ্রিজে রাখলে রাসায়নিক আরও ছড়াতে পারে। তাই কেনার পর প্রথমেই পরিষ্কার করা ভালো। শিশু, বয়স্ক বা অসুস্থদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা জরুরি।

এই কয়েকটি সহজ সতর্কতা মেনে চললে প্রিয় ফল আঙুর নিশ্চিন্তে খেতে পারবেন। সচেতন থাকলেই সুস্বাস্থ্য রক্ষা সম্ভব।  


You might also like!