
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: অক্ষয় তৃতীয়া এলেই সোনা কেনার এক আলাদা গুরুত্ব তৈরি হয়। এই শুভ দিনে গয়না কেনা সমৃদ্ধির প্রতীক বলে মনে করা হয়। তবে বর্তমান বাজারে সোনার দাম বৃদ্ধির কারণে অনেকেই ভারী গয়না কেনার ক্ষেত্রে দ্বিধায় পড়ছেন। সেই জায়গায় এখন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এমন কিছু ট্রেন্ডি ডিজাইন, যেগুলি দেখতে ভারী হলেও ওজনে হালকা। এতে যেমন খরচ কম, তেমনই স্টাইলেও কোনও খামতি থাকে না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আধুনিক জুয়েলারি ডিজাইনে এখন কারিগরি দক্ষতার মাধ্যমে কম সোনা ব্যবহার করেও বড় ও জমকালো লুক দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। ফলে এই ধরনের গয়না ক্রেতাদের কাছে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম এবং কর্মজীবী মহিলাদের মধ্যে এই ট্রেন্ড বেশি চোখে পড়ছে।
∆ এই অক্ষয় তৃতীয়ায় নজরে রাখতে পারেন এমন কিছু ডিজাইন—
* ফাঁপা গয়না ডিজাইন: এই ধরনের গয়নার ভিতরটা ফাঁপা থাকে, ফলে ওজন অনেক কম হয়, কিন্তু বাইরে থেকে দেখতে বেশ ভারী ও আকর্ষণীয় লাগে।
* লেয়ার্ড নেকলেস: একাধিক পাতলা চেন বা হার একসঙ্গে পরলে ভারী নেকলেসের মতো লুক পাওয়া যায়, যা বর্তমানে খুবই ট্রেন্ডে।
* জালি কাজের গয়না: সূক্ষ্ম কারুকার্য বা জালি ডিজাইনের গয়নাগুলি দেখতে বড় হলেও আসলে অনেক হালকা হয়।
* টেম্পল জুয়েলারি লাইটওয়েট ভার্সন: ঐতিহ্যবাহী মন্দির-স্টাইলের গয়নার হালকা সংস্করণ এখন বাজারে জনপ্রিয়, যা ভারী লুক বজায় রেখেই ওজন কমায়।
* ওভারসাইজড ইয়াররিংস: বড় আকারের দুল বা ঝুমকো এখন ফাঁপা কাঠামোয় তৈরি হচ্ছে, ফলে ভারী দেখালেও পরতে আরামদায়ক।
* কাটওয়ার্ক বালা ও ব্রেসলেট: সূক্ষ্ম কাটওয়ার্কের মাধ্যমে বালা বা ব্রেসলেটকে বড় দেখানো হয়, কিন্তু ওজন থাকে কম।
* মাল্টি-লেয়ারড চুড়ি সেট: একাধিক হালকা চুড়ি একসঙ্গে পরলে ভারী সেটের মতোই আকর্ষণীয় লুক তৈরি হয়।
* ফিউশন ডিজাইন জুয়েলারি: আধুনিক ও ঐতিহ্যের মিশেলে তৈরি এই গয়নাগুলি হালকা হলেও দেখতে বেশ জমকালো।
জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের মতে, এই ধরনের স্মার্ট ডিজাইন শুধু বাজেটের দিক থেকে সুবিধাজনক নয়, বরং ব্যবহারেও অনেক আরামদায়ক। দৈনন্দিন জীবন থেকে শুরু করে উৎসব—সব ক্ষেত্রেই এই গয়নাগুলি সহজে ব্যবহার করা যায়। সব মিলিয়ে, অক্ষয় তৃতীয়ায় সোনা কেনার ভাবনা থাকলে এখন আর ভারী গয়নার দিকেই ঝুঁকতে হবে এমন নয়। হালকা ওজনের মধ্যেই স্টাইলিশ ও ভারী লুকের এই নতুন ট্রেন্ডই হতে পারে আপনার সেরা পছন্দ।
