
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: শরীরের অতিরিক্ত লোম অনেকের কাছেই সৌন্দর্যের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে স্লিভলেস বা ছোট পোশাক পরার সময় এই বিষয়টি অস্বস্তির কারণ হয়ে ওঠে। তাই এই সমস্যার সমাধানে অনেকেই পার্লারের দোরগোড়ায় পৌঁছন বা নিয়মিত রেজার ব্যবহার করেন। তবে এই সব পদ্ধতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকে নানা ঝুঁকি—ত্বক কেটে যাওয়া, র্যাশ বা লোম দ্রুত ও মোটা হয়ে ফিরে আসার মতো সমস্যা। ত্বক বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সমস্যার স্থায়ী ও নিরাপদ সমাধান খুঁজতে প্রাকৃতিক উপায়ের দিকে ঝোঁকাই সবচেয়ে ভালো। শরীরের লোম কমানোর ক্ষেত্রে মূলত দু’টি পথ রয়েছে—একটি চিকিৎসার মাধ্যমে, অন্যটি লোম অপসারণ। তবে যারা রাসায়নিক বা ওষুধের ব্যবহার এড়িয়ে চলতে চান, তাঁদের জন্য ঘরোয়া পদ্ধতিই হতে পারে কার্যকর বিকল্প।
* প্রাকৃতিক উপায়ে ‘হেয়ার রিমুভাল স্ক্রাব’ তৈরির পদ্ধতি - এই স্ক্রাব তৈরি করতে প্রথমেই প্রয়োজন চিনি। একটি পাত্রে অন্তত ৩ টেবিল চামচ বা ৪ কিউব চিনি নিন। এর সঙ্গে মেশাতে হবে ২ টেবিল চামচ লেবুর রস। মিশ্রণটিকে কার্যকর করতে প্রয়োজন ৫ টেবিল চামচ আলুর রস এবং ৫ টেবিল চামচ মুসুর ডাল বা পিঙ্ক লেন্টিল পাউডার। এই সমস্ত উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে একটি ঘন প্যাক তৈরি করে নিন।
* ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতি- ব্যবহারের পদ্ধতিও অত্যন্ত সহজ। শরীরের যে অংশের লোম তুলতে চান, সেখানে এই মিশ্রণটি ভালো করে লাগিয়ে নিন। অন্তত ২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে যাতে প্যাকটি পুরোপুরি শুকিয়ে যায়। শুকিয়ে গেলে হালকা ঘষে জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই স্ক্রাবটি নিয়মিত ব্যবহারে শুধু যে লোম উঠে আসবে তা নয়, আলুর রস লোমের রং হালকা করতেও সাহায্য করে। ফলে ত্বক দেখায় মসৃণ ও উজ্জ্বল।
তবে এহেন ঘরোয়া কোনও প্যাক বা স্ক্রাব ব্যবহারের পর যদি ত্বকে জ্বালা, লালচে ভাব বা অস্বস্তি দেখা দেয়, তাহলে তা অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সব মিলিয়ে, নিয়মিত যত্ন ও সঠিক পদ্ধতি বেছে নিলে ঘরোয়া উপায়েই পাওয়া যেতে পারে পরিষ্কার, মসৃণ ও লোমহীন ত্বক—তা-ও কোনও ক্ষতিকর প্রভাব ছাড়াই।
