
কলকাতা, ৫ ডিসেম্বরঃ নিত্যদিনের বর্জ্য রাখার পাত্রে রান্নার সরঞ্জাম! সেই বালতিতে রাখা হচ্ছে চাল, আটা, চিনি, ময়দা, মশলা। এমনটাই খবর পেয়েছেন পুরসভার আধিকারিকরা। তবে এ তথ্য কতটা সত্যি? তা যাচাই করতেই মঙ্গলবার থেকে দোরে দোরে অভিযানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুরসভা।
বর্জ্য পদার্থ পৃথকীকরণের জন্য আগেই বাড়ি বাড়ি নীল ও সবুজ রঙের বালতি পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল পুরসভার তরফে। তবে শহরের বাসিন্দারা ওই পাত্র সুনির্দিষ্ট স্বার্থে না ব্যাবহার করে বরং সব বর্জ্য এক পাত্রে জমিয়ে তারপর ফেলছেন গাড়িতে। এবার তাই বর্জ্য পৃথকীকরণ ব্যবস্থাপনাকে নিশ্চিত করতে প্রতিদিন সকালে বিভাগীয় আধিকারিকদের তিন ঘণ্টা করে পাড়ায়-পাড়ায় ঘোরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার এই পরিকল্পনাকে কার্যকর করতে জঞ্জাল অপসারণ বিভাগের আধিকারিকরা উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকও করেন। সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সাফাই কর্মীরা সকালে যখন বাড়ি-বাড়ি জঞ্জাল সংগ্রহে যাবেন, সেই সময়ে আধিকারিকদেরও ওই পাড়ায় হাজির থাকতে হবে। নীল ও সবুজ বালতি জঞ্জাল সংগ্রহের জন্য কোনও বাসিন্দা ব্যবহার না করলে, সঙ্গে সঙ্গে পুর আধিকারিক তাঁর কাছে কারণ জানতে চাইবেন।
এরপর ওই বাসিন্দাকে বুঝিয়ে বলা হবে নীল ও সবুজ বালতির কার্যকারিতা। একবারে কাজ না হলে ফের ওই পাড়ায় যাবেন পুর আধিকারিকরা। বর্জ্য পৃথকীকরণ ব্যবস্থাপনার নিয়ম অনুযায়ী, নীল রঙের বালতিতে রাখার কথা সব্জির খোসা, ডিমের খোসা, খাবারের উচ্ছিষ্ট, মাছের আঁশের মতো পচনশীল বর্জ্য।
