
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ শুক্রবার জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক-কে রেশন দুর্নীতি মামলায় ১০ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আদালতের তরফে। যদিও অসুস্থ হয়ে পড়ায় আপাতত হাসপাতালেই ভর্তি প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী। এই অবস্থায় রবিবার তাঁর মেয়েকে তলব করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। তিনি সমস্ত নথিপত্র নিয়ে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছেছিলেন। আর সোমবার জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের দাদাকে ডেকে পাঠানো হল। তিনিও সকাল সকাল নথি নিয়ে পৌঁছন ইডি দপ্তরে।
রবিবার জ্যোতিপ্রিয়কন্যা প্রিয়দর্শিনীকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। তিনি তদন্তে সহযোগিতা করতে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হন। ১০ মিনিট থাকার পর বেরিয়েও যান।
এর পর সোমবার জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের দাদা দেবপ্রিয় মল্লিককে ডেকে পাঠানো হয় ইডির তরফে। অ্যাকাউন্টের লেনদেন খতিয়ে দেখার জন্য ব্যাঙ্কের নথি নিয়ে যেতে বলা হয় তাঁকে। তিনি সেসব নিয়ে সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ পৌঁছে যান ইডি দপ্তরে। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখেন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লেনদেন। অ্যাকাউন্টে যে টাকা রয়েছে, তা কোথা থেকে আসত, সূত্র কী, সেসব বিষয় জানতে চান তদন্তকারীরা। তবে ঘণ্টাখানেক পর সেখান থেকে বেরিয়েও যান দেবপ্রিয়বাবু।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, ”জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের একটা চিঠি জমা দেওয়ার কথা ছিল। গতকাল অফিস বন্ধ ছিল। সেই কারণে আজ এসেছি। এক পাতার চিঠি ওদের জমা দেওয়া হল।” কিসের চিঠি, তা জানতে চাওয়া হলে উত্তরে দেবপ্রিয়বাবু বলেন, ”এটা ইডি এবং জ্যোতিপ্রিয় বলতে পারবে।”
উল্লেখ্য, গ্রেপ্তার হওয়ার পর দিনই অসুস্থ হয়ে বাইপাসের ধারে বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তবে এই মুহূর্তে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে। এদিন মন্ত্রীকে কেবিনে শিফট করা হয়েছে বলে খবর। সোমবার হাসপাতালের চিকিৎসকরা এ বিষয়ে আলোচনায় বসতে চলেছেন বলে খবর।
