
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ কলকাতা: বরাবরই ভোটের আগে আদি-নব্য নিয়ে দ্বন্দ্ব হয়েছে। বিভিন্ন জেলাগুলিতে প্রবীণ-নবীনদের মধ্যে ঝামেলা নতুন কিছু নয়। আজ অভিষেক এই মর্মেই প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। উত্তরবঙ্গ উড়ে যাওয়ার আগে প্রবীণদের নিয়ে সোজাসাপটা তৃণমূল সাংসদ। বললেন, “দলে প্রবীণদের প্রয়োজন। তবে বয়সের উর্ধ্বসীমাও থাকা দরকার।”
সোমবার উত্তরবঙ্গ যাওয়ার পথে দমদম বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একাধিক বিষয়ে নিয়ে বক্তব্য দেন। তিন রাজ্যে কংগ্রেসের ভরাডুবি, বিজেপির জয় থেকে দলের বয়সসীমা, শুভেন্দুর সাসপেনশন-সহ নানা প্রসঙ্গে নিজের মতামত প্রকাশ করেন। বয়সসীমা নিয়ে তাঁর সাফ বক্তব্য, ”শুধু দল বলে নয়, যে কোনও জায়গায় আমি মনে করি, উর্ধ্বসীমা থাকা দরকার। যে পরিশ্রম একজন পঞ্চাশ বছরের মানুষ বা চল্লিশ বছরের মানুষ করতে পারেন, সেটা কোনও দিন আমার বয়স বেড়ে গেলে করতে পারব না। তবে প্রবীণদেরও প্রয়োজন। তাঁদের অভিজ্ঞতা দলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।”
এ প্রসঙ্গে অভিষেক কংগ্রেসের বৃদ্ধতন্ত্র নিয়েও কটাক্ষ করেন। তাঁর কথায়, ”যেমন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব হয়ত ক্ষমতা কুক্ষিগত করার জন্যই তরুণদের তেমন সুযোগ দেয় না। তাদের একপাশে সরিয়ে রাখে। কিন্তু যোগ্যতা থাকলে কাউকে ষড়যন্ত্র করে দমিয়ে রাখা যাবে না।” নতুন-পুরনো তৃণমূল নিয়ে যে আলোচনা চারপাশে চলছে, সেই বিষয় নিয়েও স্পষ্ট করে দেন অভিষেক। জানান, ”নতুন তৃণমূল বা পুরনো তৃণমূল বলে কিছু নেই। আমি বলেছিলাম, যাঁরা ২০১১ সালে সিপিএমের ৩৪ বছরের জগদ্দল পাথরকে সরানোর জন্য রক্ত, ঘাম দিয়ে পরিশ্রম করেছেন, তাঁদের দল ফের লড়াইয়ের সুযোগ দেবে। সেইমতোই কাজ হয়েছে। নতুন তৃণমূল মানে এমন নয় যে ২০,৩০ বা ৪০ বছরের লোকজন আলাদা দল করছে।”
