
কলকাতা, ১৯ আগস্ট : ‘‘আমাদের প্রথম কাজ, মৃত পড়ুয়ার পরিবার যাতে বিচার পায় তা নিশ্চিত করা। তার জন্য যা যা করার, আমরা তা-ই করব।’’ খোদ দলনেত্রীর নির্দেশে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংগঠনের দায়িত্ব পাওয়ার পর শনিবার প্রচারমাধ্যমকে এ কথা বলেন রাজন্যা হালদার।
রাজন্যা সেই সঙ্গে ক্যাম্পাসের ভিতরে কী কী সাংগঠনিক কাজ তাঁরা করতে চলেছেন কয়েক দিনে, সে ব্যাপারেও খানিক আভাস দিলেন। তাঁর কথায়, ‘‘আমরা দু’একটা দিন দেখব। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যদি সিসিটিভি না লাগান, তা হলে আমরাই তা লাগানোর বন্দোবস্ত করব। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিনের ভেন্ডিং মেশিন নেই। সেটাও যদি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ না বসান, আমরা বসিয়ে দেব। বিশ্ববিদ্যালয়ের শৌচালয় কার্যত নরক হয়ে রয়েছে। কর্তৃপক্ষ যদি পরিষ্কার করানোর ব্যবস্থা না করেন, সেটাও বাইরে থেকে লোক নিয়ে গিয়ে আমরা করিয়ে দেব।’’
বস্তুত, প্রথম থেকেই যাদবপুরে সিসিটিভি বসানোর ব্যাপারে তাঁদের আপত্তি জানিরে আসছে ছাত্র সংগঠনের এসএফআই শাখা। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে তৃণমূলের ছাত্র সংগঠন তুলনামূলকভাবে অনেকটাই দুর্বল। এবার সেখানে তীক্ষ্ণ নজর তৃণমূল ছাত্র পরিষদের। সেখানে মুখ হয়ে উঠতে যাচ্ছেন রাজন্যা। সূত্রের খবর, সংগঠন বিস্তারের নির্দেশ এসেছে হাই কমান্ডের কাছ থেকে।
প্রসঙ্গত, সোনারপুরের মেয়ে রাজন্যা দলের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা শাখার সহ সভাফতি। প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে দলের দুর্বল ছাত্রসংগঠন মজবুত করার দায়িত্বও তাঁর ওপর দেওয়া হয়েছে।
রাজন্যা প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তরের পর এখন অন্যত্র পিএইচডি করছেন। একই সঙ্গে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএড পড়ছেন। ভালই জানেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁদের সাংগঠনিক জমি কতটা শক্ত।
