
কলকাতা, ৩ জুলাই : ভোটের আগেই গ্রেফতার হতে পারেন, এই আশঙ্কায় রাতের ঘুম উড়েছে বিরোধী দলের বেশ কিছু প্রার্থী ও কর্মীদের। গ্রেফতারির আশঙ্কা থেকেই এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বিরোধী দলের প্রার্থী ও কর্মী সমর্থকরা।
পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন পর্বে বিভিন্ন জেলায় দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। বিরোধী দলের প্রার্থীদের মনোনয়ন জমায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এমনকী প্রার্থীদের মনোনয়ন প্রত্যাহারে বাধ্য করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছিল। মনোনয়ন পর্ব মিটে যেতেই এবার নতুন আশঙ্কার বিরোধী প্রার্থীরা।
দুই মেদিনীপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ সহ বেশ কিছু জেলার বিরোধী দলের বেশ কিছু প্রার্থী আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। ১৫ জুলাই অবধি রক্ষাকবচের আবেদন করা হয়েছে। সোমবার জানা গিয়েছে, দুপুর ২টো বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাসে সব মামলার শুনানি হবে।
পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণা হতে আদালতে একের পর এক মামলা হয়েছে। ভোট ঘোষণার দিন রাজ্য পুলিশের উপর আস্থা প্রকাশ করেছিলেন নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা। কমিশনের মনোভাব বোঝার পর পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী। মনোনয়নর দিনক্ষণ বৃদ্ধি ও অনলাইনে মনোনয়ন জমা নেওয়ার আবেদন করা হয় প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি উদয় কুমারের বেঞ্চে।
কয়েক দফা শুনানির পর রাজ্যের সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেয় আদালত। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য নির্বাচন কমিশন ও সরকার। কিন্তু দেশের শীর্ষ আদালত সাফ জানিয়ে দেয় কলকাতা হাইকোর্টের রায়ে তাঁরা কোনও হস্তক্ষেপ করবে না। সুপ্রিম কোর্টে ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয় রাজ্য সরকারে।
