
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ প্লাস্টিকের দৌরাত্ব কমাতে শহর কলকাতায় এখন কাগজজাত ব্যাগ বা ঠোঙার চাহিদা উত্তরোত্তর বেড়েছে। কাগজের এই ব্যাগ বা ঠোঙার জন্য প্রয়োজন হয় পর্যাপ্ত কাগজের, আর তা সংগ্রহ করতে ফেরি ওয়ালাদের আমরা আকছার দেখি শহরের রাস্তায়। তবে সে কাগজ যদি লালবাজারের গোপন নথি হয়, তবে তা অবশ্যই চর্চায় আসবে।
প্রসঙ্গত, লালবাজার গোয়েন্দা দপ্তর অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে কাজ করে। তদন্তের কাজে এমন অনেক নথিপত্র সেখানে থাকে যা জনসমক্ষে এসে গেলে বিপজ্জনক হতে পারে। তাই কড়া নিরাপত্তায় মোড়া থাকে ডিডি (ডিটেক্টটিভ ডিপার্টমেন্ট) বিল্ডিং। নিরাপত্তারক্ষীদের নজর এড়িয়ে সেখানে মাছি গলতেও পারে না। অথচ এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর থেকে তদন্তের নথিপত্র বাইরে বাজারে এল কী ভাবে?
সম্প্রতি লালবাজারের বিপরীতে একটি খাবারের দোকানে গোয়েন্দা বিভাগের চিঠিতে শিঙাড়া, জিলিপি মুড়ে দেওয়া হয়। ভাল করে দেখার পর বোঝা গেল ২০২২ সালের জুন মাসে কোনও ব্যক্তি ব্যাংক জালিয়াতির শিকার হন। লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগের প্রতারণা দমন শাখা গিরিশ পার্ক থানায় একটি মামলা রুজু করে তদন্তে নামে। সেই কাগজের মোড়কেই বিক্রি হচ্ছে খাবার।
এখন প্রশ্ন, লালবাজার থেকে কীভাবে বান্ডিল বান্ডিল চিঠিপত্রের কপি বাইরে এল কীভাবে? সূত্রে খবর, লালবাজার থেকেও অনেক সময় কাগজপত্র জেরক্স করানো হয়। ভুলবশত অতিরিক্ত জেরক্স হয়তো হয়ে যায় বা যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ঠিকভাবে জেরক্স হয়নি। ওইসব উচ্ছিষ্ট জেরক্স কপি দোকানদার কেজি দরে বিক্রি করে দেয়, যা ঘটনাচক্রে খাবারের দোকানে খাবারের মোড়ক হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
