
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ আগামী ২০ অক্টোবর থেকে শুরু হতে চলেছে কলকাতার সেরা উৎসবের। হাত মাত্র আর কয়েকটি দিন। আগামী ২৪ অক্টোবর এই বছরের বিজয়া দশমী। তাই এবার পুজোর বিসর্জনে আঁটসাঁট ব্যাবস্থা নিতে তৎপর কলকাতা পুরসভা। এই উপলক্ষে ইতিমধ্যেই বৈঠক সম্পন্ন করেছেন কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশ। এমনকি বৈঠক করেছেন কলকাতা পুরসভা এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বন্দর কর্তৃপক্ষও। সেই বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয়ই হল প্রতিমা নিরঞ্জন পর্ব। বিজয়া দশমীর দু'দিন পরও করা যাবে প্রতিমা নিরঞ্জন।

প্রতিমা বিসর্জনকে মসৃণ করতে উত্তর থেকে দক্ষিণ কলকাতার যতগুলি ঘাট আছে, সেগুলি তৈরির দায়িত্বে থাকবে কলকাতা পুরসভা। আর জলপথে নজরদারির দায়িত্বে থাকবে বন্দর কর্তৃপক্ষ। নজর দেওয়া হবে খিদিরপুরের দইঘাট থেকে শুরু করে বাবুঘাট, আহেরিটোলাঘাট, বাজেকদমতলা ঘাটের মতো বড় ঘাটগুলিতে। পরিসংখ্যান অনুসারে, ওই ঘাটগুলিতেই সবচেয়ে বেশি প্রতিমা বিসর্জন করা হয়। তাই পুরসভার তরফে বন্দর কর্তৃপক্ষকে ওইসব ঘাটগুলিতে বিশেষ নজরদারির ব্যাবস্থা করা হয়েছে। কলকাতা পুলিশের পাশাপাশি এবার ৫০ টি লাইফবোট নামবে কলকাতার গঙ্গাবক্ষে। গঙ্গাবক্ষে প্রতিমা পড়া মাত্রই ক্রেনের সাহায্যে তুলে নেওয়া হবে প্রতিমা। কারণ প্রতিমা তৈরির উপকরণ গঙ্গায় মিশে জলদূষণের পরিধিকে বাড়িয়ে দিতে পারে।

কলকাতা পুরসভায় প্রাক পুজোর এই বৈঠকে পুরসভার বিভিন্ন বিভাগের আধিকারিকদের পাশাপাশি, ছিলেন কলকাতা পুলিশ, সিইএসসি-সহ একাধিক সরকারি দফতরের আধিকারিকেরা। সেই বৈঠকে যোগ দিয়েছিল বন্দর কর্তৃপক্ষের আধিকারিকেরাও। উৎসবের প্রস্তুতি পর্বে যাতে পরিবেশের কোনও ক্ষতি না হয় সে ব্যাপারে বিশেষ নজর দিতে বলেছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। গত বছর বাবুঘাটে বিসর্জন চলাকালীন দুর্ঘটনা ঘটে গিয়েছিল। তাতে অভিযোগের আঙুল উঠেছিল কলকাতা পুরসভার দিকে। এ বার যাতে সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয় তাই কলকাতা পুরসভার আধিকারিকদের বিশেষ ভাবে সজাগ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে কলকাতা পুরসভা সূত্রের খবর।
