
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ আগামী বছরই ১৫০ বছরে পা দিতে চলেছে আলিপুর চিড়িয়াখানা।বহু পুরানো ঐতিহ্য ও ইতি হাসের সাক্ষী এই চিড়িয়াখানায় সম্প্রতি বিধানসভার এস্টিমেট কমিটির ১০ সদস্যের একটি দল পরিদর্শন করে যান। সূত্রের খবর আলিপুর চিড়িয়াখানা নিয়ে কিছুদিনের মধ্যেই বিধানসভায় রিপোর্ট জমা দেবেন এই কমিটির সদস্যরা। উল্লেখ্য,এই টিম খতিয়ে দেখলেন চিড়িয়াখানার পশুপাখিদের খাঁচা, চিড়িয়াখানার পরিবেশ, খোঁজ নিলেন এই গরমে কেমন আছে তারা?
চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুসারে ফি বছর প্রায় ৩৩ লক্ষ দর্শক ভিড় জমান আলিপুর চিড়িয়াখানায়। এই বিপুল সংখ্যক ট্যুরিস্টের কথা মাথায় রেখেই ভোলবদল হতে চলেছে আলিপুর চিড়িয়াখানার। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের তরফে এব্যাপারে এক বিস্তৃত রূপরেখা বিধানসভার এস্টিমেট কমিটির ১০ সদস্য’র সামনে তুলে ধরা হয়।
সাধারণ মানুষের কথা মাথায় রেখে চিড়িয়াখানা চত্ত্বরে এবার থেকে থাকবে ঠাণ্ডা পানীয় জলের ব্যবস্থা। একই সঙ্গে চিড়িয়াখানার ভিতর পাবলিক টয়লেটের সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি, চিড়িয়াখানার ঠিক বাইরেই চালু হতে চলেছে অত্যধুনিক এসি রেস্তোরাঁ। সেই সঙ্গে সবুজায়নের কথা মাথায় রেখে চিড়িখানার ভিতরে স্টলের সংখ্যা কমানোর পাশাপাশি, পশুপাখিদের থাকার আদর্শ পরিবেশ গড়ে তোলার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।
এর পাশাপাশি, তৈরি হতে চলেছে পূর্ব ভারতের প্রথম রঙিন মাছের সুবিশাল অ্যাকোরিয়ামও। সেই সঙ্গে বয়স্ক মানুষদের জন্য চিড়িয়াখানা ভ্রমণের জন্য রাখা হবে বিশেষ গাড়িও।
প্রসঙ্গত, বিধানসভার এস্টিমেটস কমিটির ১০ জনের একটি প্রতিনিধি দলে ছিলেন নির্মল মাঝি, মিহির গোস্বামী সহ একাধিক বিধায়ক। চিড়িয়াখানা পরিদর্শন করে চিড়িয়াখানার পরিকাঠামো তে কি কি বদল আনতে হবে ,পশু পাখির গরম কালে দেখভাল করার জন্য আর কি কি বিষয়ের প্রয়োজন, সব বিষয় খতিয়ে দেখে রিপোর্ট তৈরি করে তা বিধানসভায় পেশ করা হবে বলে জানা গিয়েছে।
কমিটির সদস্য’র কথায়, “চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের কাজ দেখে, কমিটি খুশি। পরিদর্শনের পর, কমিটির ১০ জন মিলে আলোচনা করে, তবেই রিপোর্ট পেশ করা হবে৷ আলিপুর চিড়িয়াখানা এশিয়ার পুরনো চিড়িয়াখানার মধ্যে অন্যতম।তার সঠিক পরিচর্চা ও পরিকাঠামোর পরিবর্তন আরো অধিক পর্যটক টানতে সক্ষম হবে বলে ধারনা চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের।
