
কলকাতা, ২৯ আগস্ট : ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র ফাইল মামলায় ইডির ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নয় লালবাজার। তাই পালটা মেল করে কলকাতা পুলিশের তরফে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকদের সশরীরে তলব করা হয়। লালবাজারে গিয়েই ফাইল ডাউনলোড নিয়ে নিজেদের ব্যাখ্যা স্পষ্ট করতে হবে বলে জানিয়েছিল পুলিশ। কিন্তু তলব সত্ত্বেও লালবাজারে হাজিরা দিতে নারাজ এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।
মেল পাঠিয়ে ইডি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে লালবাজারে যাবেন না ইডির কোনও আধিকারিক। কারণ, এ বিষয়ে তাদের আলাদা ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রয়োজন নেই বলেই মনে করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
সোমবারই ইডির পক্ষে লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস সংস্থার আধিকারিক চন্দন বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করা হয়। তিনি এদিন ইডির দফতরে যান। তাঁকে জেরা করেন ইডির গোয়েন্দারা। সূত্রের খবর, কী কারণে তিনি ইডির বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন, তা নিয়েও তাঁকে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন করেন ইডি আধিকারিকরা।
গত শুক্রবার ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসে’র অ্যাকাউন্টস অ্যাসিস্ট্যান্ট চন্দন বন্দ্যোপাধ্যায় লালবাজারের সাইবার থানায় অভিযোগ জানিয়ে বলেন, তাঁদের অফিসে তল্লাশি চালানোর সময় ইডি একটি কম্পিউটারে ১৬টি মাইক্রোসফট এক্সেল ফাইল ডাউনলোড করে কম্পিউটারে তথ্য বিকৃতি করেছে ইডি।
এই ব্যাপারে সাফাই দিয়ে কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল ও চন্দন বন্দ্যোপাধ্যায়কে মেল করে ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের সাফাই অনুযায়ী, এক ইডি আধিকারিক সংস্থাটিরই একটি কম্পিউটারে তাঁর মেয়ের হস্টেল সম্পর্কে খোঁজখবর নিচ্ছিলেন। ইডির ওই যুক্তি যাচাই করতেই পুলিশ মেল করে একজন ইডি আধিকারিককে তলব করে। ইডি ফের মেল পাঠিয়ে লালবাজারের কর্তাদের জানায়, আগেই মেল করে ইডি ফাইল ডাউনলোডের ব্যাপারে চূড়ান্ত যুক্তি দিয়েছে। আর নতুন করে এই ব্যাপারে ইডির কিছু জানানোর নেই। তাই ইডির কোনও আধিকারিক লালবাজারে যাবেন না। ফলে বিষয়টি নিয়ে লালবাজার-ইডি সংঘাত জারি রয়েছে।
