
ঢাকা, ৫ জুন : অসহণীয় গরমের মাঝেই বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে ভুগছে বাংলাদেশ। লোড শেডিং-এর সমস্যায় বিপর্যস্ত বাংলাদেশের জনজীবন। তবে এই বিপর্যয় আরও বাড়বে বলে জানাল স্বয়ং বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়।
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানিয়েছেন, এই অবস্থা আগামী দুই সপ্তাহ ধরে চলবে। এরপর লোডশেডিং পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে। তীব্র গরমের মধ্যে এই ব্যাপক মাত্রার লোড শেডিং-এর জন্য দেশবাসীর কাছে দুঃখও প্রকাশ করেছেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, লোডশেডিং বেড়ে গেছে। নসরুল হামিদ বলেন, “হিটওয়েভ চলছে, ফলে বিদ্যুতের চাহিদা ব্যাপকভাবে বেড়ে গিয়েছে। জ্বালানির জোগান দিতে কষ্ট হচ্ছে। কয়েকটি কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন অর্ধেক হয়ে গিয়েছে।”
প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে ২,৫০০ মেগাওয়াট লোড শেডিং হচ্ছে। তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন তীব্র গরমের মধ্যে এই লোড শেডিং-এর ফলে পরিস্থিতি অসহনীয় হয়ে পড়েছে। বিদ্যুৎ উদপাদনের জন্য গ্যাস, কয়লা এবং তেলের জোগান দিতে সময় লাগছে বলে জানান তিনি। ফলে লোড শেডিংয়ের পরিমাণ আরও বেড়েছে। তবে তিনি জানিয়েছেন, বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলির জন্য দ্রুত কয়লা আনার চেষ্টা চলছে। দুই সপ্তাহের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিন।এদিকে, গরম এবং ব্যাপক লোড শেডিংয়ের জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলির পঠনপাঠন বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকার।
