Breaking News
 
Chinmoy Prabhu: চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবিতে কলকাতায় ফের বিক্ষোভ, সন্ন্যাসীদের মিছিলে পুলিশি বাধায় উত্তেজনা Flydubai Attack: ৯/১১-র পর বিমানে ‘অস্ত্র’ নিয়ে বড় বদল, সেই নিয়মের সুযোগেই জঙ্গি হামলা? প্রকাশ্যে সরকারি বিবৃতি Siliguri Cow Smuggling Row: গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে মৃত্যু যুবকের, ভাঙচুর একাধিক গাড়ি, উত্তেজনা WB Special Ration Package: পুজোর আগে রেশনে ‘ফেস্টিভ প্যাকেজ’! অর্ধেক দামে ময়দা-চিনি-সুজি, জানুন বিস্তারিত Suvendu on Mamata : নন্দীগ্রামে মমতার চোট নিয়ে ফের তদন্তের নির্দেশ, রিপোর্ট হাতে শুভেন্দু, ভোটের পর শুরু তদন্ত প্রক্রিয়া Bayron Biswas: বাড়িতেই অগ্নিদগ্ধ ঋতব্রতপন্থী বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস, শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক

 

Festival and celebrations

11 months ago

Kali Puja 2025: টানা চোখ, সালঙ্কারা সাজে শান্তিপুরের আগমেশ্বরী! এই রূপের নেপথ্যে রয়েছে বিশেষ গল্প

Goddess Agomeswari kali
Goddess Agomeswari kali

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: নয়ন ভোলানো রূপে পূজিতা নদীয়ার আগমেশ্বরী মাতা, জেলার প্রাচীনতম পুজোগুলির মধ্যে এটি অন্যতম। প্রায় ৫০০ বছরের পুরনো এই পুজোর সূচনা করেছিলেন কালীসাধক কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশের প্রপৌত্র সার্বভৌম আগমবাগীশ, যিনি ছিলেন একজন তন্ত্রসাধক।

শোনা যায়, শান্তিপুরের অদ্বৈতাচার্যের পৌত্র মথুরেশ গোস্বামীর মেয়ের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল সার্বভৌম আগমবাগীশের। মথুরেশ তাঁর মেয়ে, জামাইয়ের সঙ্গে শান্তিপুরে চলে আসেন। সেখানেই মথুরেশ গোস্বামী তাঁর বসতবাটি থেকে কিছুটা দূরে একটি পঞ্চমুণ্ডির আসন স্থাপন করেন। সেখানেই সাধনা করে সিদ্ধিলাভ করেন সার্বভৌম আগমবাগীশ।

তিনিই গঙ্গা থেকে মাটি নিয়ে এনে মাতৃমূর্তি নির্মাণ করে পুজো করেন। পুজোর পরেই প্রতিমা বিসর্জন দেন গঙ্গায়। এই প্রাচীন প্রথা আজও মানা হয় মা আগমেশ্বরীর পুজোয়। আগমেশ্বরীর পুজোর সমস্ত রীতি, আচার পালন করেন বড় গোস্বামী পরিবারের সদস্যরা। দুর্গাপুজোর পরে বিজয়া দশমীর দিন মা আগমেশ্বরীর পাটে সিঁদুর দেওয়া হয় ও পুজো করা হয়। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন পাটখিলান অনুষ্ঠান হয়। এর পরেই দীপান্বিতা কালীপুজোয় আগমেশ্বরী মায়ের পুজো হয়।

আগমেশ্বরী মায়ের উচ্চতা প্রায় ১৬ থেকে ১৮ ফুট। কালীপুজোর দিন প্রতিমার রং করা হয়, রাতে হয় চক্ষুদান। কালীপুজোর রাতে বড় গোস্বামী পরিবারের সদস্যরা মাকে গয়না পরান, নবসাজে সজ্জিত করেন দেবীকে। তার পরে যিনি মৃৎশিল্পী তিনি সারাদিন উপবাস থেকে শুদ্ধবস্ত্র পরে মায়ের চক্ষুদান করেন।

মায়ের চক্ষুদানের পরেই বড় গোস্বামী পরিবারের সদস্যরা মাকে সিঁদুর, গন্ধদান, আতরদান করেন। তার পরে শুরু হয় মায়ের পুজো। ভোর পর্যন্ত পুজো চলে। মা আগমেশ্বরীর জন্য সম্পূর্ণ নিরামিষ ভোগ প্রদান করা হয়। এখানে পশু বলি প্রথা নেই। আখ ও চালকুমড়ো বলি দেওয়া হয়। মাকে ৩৬ ব্যঞ্জনের ভোগ নিবেদন করা হয়।

মায়ের ভোগ রান্না করেন বাড়ির দীক্ষা নেওয়া মহিলারা। ভোগে থাকে তিন রকমের শাক (লালশাক, কচুশাক, পালংশাক), শুক্তোনি, বিভিন্ন রকমের ডাল (বিউলি, মুগ ইত্যাদি), চালকুমড়োর তরকারি, মিষ্টি কুমড়োর তরকারি, কচুরদম, বাঁধাকপির তরকারি, ছানার ডালনা, এঁচোড়ের তরকারি, পোলাও, চালতার চাটনি, টমেটোর চাটনি, নানা রকমের মিষ্টান্ন।

এ ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের ফল নিবেদন করা হয় মা আগমেশ্বরীকে। মায়ের পুজোর পরের দিন নিরঞ্জন হয়। আগমেশ্বরী মাকে আগে কাঁধে করে নিয়ে যাওয়ার রেওয়াজ ছিল। এখন যদিও তেমনটা আর হয় না। গাড়িতে করে নিয়ে যাওয়া হয় মাকে।

You might also like!