
দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক: পরিকল্পনা ছিল, দীপাবলিতে বাংলার প্রেক্ষাগৃহে দেখা যাবে সনাতনী আবহের এক বিশেষ উদযাপন। কালীপুজোর আবহে একই সময়ে বড়পর্দায় হাজির হওয়ার কথা ছিল ‘রাম’ এবং ‘বামাক্ষ্যাপা’র। কিন্তু গত দু’দিন ধরেই টলিপাড়ায় জল্পনা চলছিল, পিছিয়ে যেতে পারে ‘সাধক বামাক্ষ্যাপা’র মুক্তির দিন। একদিকে প্রায় চার হাজার কোটি টাকার বলিউড ছবিকে ঘিরে হাইভোল্টেজ উন্মাদনা, অন্যদিকে বাংলায় ‘করমুক্ত’ রামায়ণ। সব মিলিয়ে প্রেক্ষাগৃহে জায়গা পাওয়া নিয়ে বাংলা ছবিটিকে সমস্যায় পড়তে হতে পারে বলে আগেই আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনাই সত্যি হল। নির্ধারিত সময়ে মুক্তি পাচ্ছে না ‘সাধক বামাক্ষ্যাপা’। বড়পর্দায় ছবিটির মুক্তি পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৫ নভেম্বর বিশ্বজুড়ে মুক্তি পাবে রণবীর কাপুরের মেগাবাজেট মহাকাব্য। ওই একই দিনে বাংলার সিনেপর্দায় ‘সাধক বামাক্ষ্যাপা’রও আবির্ভূত হওয়ার কথা ছিল। তবে এবার প্রযোজনা সংস্থার তরফে খবর, এই আধ্যাত্মিক সিনেমার মুক্তি পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে। দিওয়ালির আগের দিন ৫ নভেম্বরের পরিবর্তে এবার সব্যসাচী চৌধুরী অভিনীত ভক্তিমূলক ছবি মুক্তি পাবে আগামী ২০ নভেম্বর। কিন্তু ঠিক কী কারণে ওই সিনেমার মুক্তি পিছোল? তা নিয়ে টলিপাড়ার অন্দরে এইমুহূর্তে একাধিক তত্ত্ব চাউড় হয়েছে।

সিনেমহলের একাংশের মত, ‘রামায়ণ’ ইতিমধ্যেই অগ্রীম বুকিংয়ে সাড়া ফেলেছে। পশ্চিমবঙ্গেও তার অন্যথা হয়নি। অ্যাডভান্স বুকিং শুরু হতেই ঝড়ের গতিতে বিকোচ্ছে টিকিট। উপরন্তু দশেরার অনুষ্ঠানে ‘রাম’ রণবীর কাপুরকে পাশে নিয়ে ‘রামায়ণ’কে বাংলায় করমুক্ত ঘোষণা করেছেন খোদ শুভেন্দু অধিকারী। অতঃপর একসঙ্গে মুক্তি পেলে যে হলে স্লট এবং শো টাইম পেতে সমস্যা হতে পারে,তা বলাই বাহুল্য। সূত্রের খবর, বক্স অফিস যুদ্ধ এড়াতেই তাই ‘সাধক বামাক্ষ্যাপা’র মুক্তি পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে। দুই আধ্যাত্মিক সিনেমাকে সমান গুরুত্ব দিতেই ‘সাধক বামাক্ষ্যাপা’ নির্মাতাদের এহেন সিদ্ধান্ত বলে জানা যাচ্ছে।
