Breaking News
 
Abhishek Banerjee: জন্মদিনের মধ্যরাতে অভিষেকের বাড়ির সামনে উত্তেজনা, ‘চোর’ স্লোগান ঘিরে সংঘর্ষ! ভোর পর্যন্ত বাড়ির বাইরে সাংসদ Bihar Encounter: বিহারে পুলিশের সঙ্গে দুষ্কৃতীদের গুলির লড়াই; নিহত ৩ দুষ্কৃতী, আহত এক পুলিশ আধিকারিক HC on KMC Elections: কলকাতা পুরসভার নির্বাচনী নির্ঘণ্ট জারিতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ হাই কোর্টের CM Suvendu Adhikari: ‘কাজ বন্ধ করলে জেলে ঢোকাব’, ধর্মঘট ও শ্রমিক বিক্ষোভ নিয়ে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর CM Suvendu Adhikari: ‘জমিদাতাদের মান্যতা দেবে সরকার’, জমি অধিগ্রহণ নিয়ে বড় বার্তা শুভেন্দুর, বিঁধলেন বাম-তৃণমূলকে CM Suvendu Adhikari: ‘তোলাবাজি করলে ১৫ মিনিটেই গ্রেপ্তার’, শিল্পপতিদের অভয় দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

 

Congress Bank Accounts Frozen:আয়কর দফতরের নিশানায় কংগ্রেস,কংগ্রেসের ৪ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট 'ফ্রিজ' করে দিয়েছে

Rahul Gandhi
Rahul Gandhi

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ লোকসভা ভোটের আগে কংগ্রেস এবং তার শাখা সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে তৎপরতার অভিযোগ উঠল আয়কর দফতরের বিরুদ্ধে। দলের নেতা অজয় মাকেন শুক্রবার অভিযোগ করেছেন, যুব কংগ্রেস-সহ বিভিন্ন শাখা সংগঠনের অ্যাকাউন্ট বাজেয়াপ্ত (ফ্রিজ়) করেছে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের নিয়ন্ত্রনাধীন আয়কর দফতর।সেই সঙ্গে যুব কংগ্রেসের যাবতীয় অ্যাকাউন্টও ফ্রিজ করা হয়েছে বলে তাঁর দাবি। শুধু ফ্রিজ করাই নয়, দলের ২১০ কোটি টাকার কর বকেয়া রয়েছে বলেও জানিয়েছে আয়কর বিভাগ। 

শুক্রবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন মাকেন (Ajay Maken)। জানা গিয়েছে, ক্রাউডফান্ডিং করে যে অর্থ জমা পড়েছিল দলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে, সেটা ব্যবহার করা যাচ্ছে না। নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছে যুব কংগ্রেসের সমস্ত অ্যাকাউন্টও। লোকসভা নির্বাচনের আগেই কার্যত অচল করে দেওয়া হয়েছে কংগ্রেসের সমস্ত আর্থিক কার্যকলাপ।

মাকেনের দাবি, “আমরা গতকাল জানতে পারি যে চেকগুলো দলের তরফে ইস্যু করা হয়েছে সেগুলো ব্যাঙ্কে কাজ করছে না। পরে জানতে পারি, কংগ্রেসের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে। রেহাই পায়নি যুব কংগ্রেসের অ্যাকাউন্টগুলোও। তার উপর আয়কর দপ্তরের থেকে জানানো হয়েছে, ২০১৯ সাল থেকে বিশাল পরিমাণে কর বকেয়া রয়েছে। কংগ্রেস ও যুব কংগ্রেস মিলিয়ে বাকি রয়েছে মোট ২১০ কোটি টাকার কর।  

ফলে একেবারে দেউলিয়ার দশা হয়েছে কংগ্রেসের। মাকেন জানান, “একটা টাকাও খরচ করার মতো অবস্থা নেই। ইলেকট্রিক বিল, দলীয় কর্মীদের বেতন- কিছুই দেওয়া যাচ্ছে না। শুধু ন্যায় যাত্রা নয়, দলের সমস্ত কাজই বন্ধ হয়ে যাবে।” মাকেনের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই দলের প্রতি এমন আচরণ করছে কেন্দ্র। তিনি বলেন, নির্বাচনী বন্ড নয়, এই টাকা এসেছিল ক্রাউডফান্ডিং থেকে। তাও নির্বাচনের ঠিক আগেই এভাবে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে দেওয়াটা একেবারেই রাজনৈতিক কারণ। 


শেয়ার করুন:

You might also like!

    লোড হচ্ছে…