
নয়াদিল্লি, ৫ এপ্রিল : ডোপিংয়ের কালোছায়া আবার ভারতীয় খেলাধুলায়। কমনওয়েলথ গেমসে দু’বারের সোনাজয়ী ভারতীয় ভারোত্তোলককে ঘিরে প্রশ্ন ছিলই। ডোপ পরীক্ষায় ধরা পড়েছিলেন নিষিদ্ধ ওষুধ নেওয়ার দায়ে। তাঁকে এ বার ৪ বছরের জন্য নির্বাসিত করল জাতীয় ডোপ বিরোধী সংস্থা নাডা। অ্যানাবলিক স্টেরয়েড ড্রস্টানোলন নিয়েছিলেন ২৯ বছরের এই ভারতীয় অ্যাথলিট। গত বছর সেপ্টেম্বরে গুজরাটে জাতীয় গেমসের সময় তাঁর নমুনা নেওয়া হয়েছিল। তাতেই মিলেছে নিষিদ্ধ ওষুধের নমুনা।
কে এই অ্যাথলিট? তিনি সঞ্জিতা চানু। আন্তর্জাতিক মিট থেকে সোনার পদক এনে দেশকে গর্বিত করেছেন এর আগে। সেই সঞ্জিতাই কলঙ্কিত হলেন। ২০১৪ সালে গ্লাসগো সিডব্লিউজিতে সোনা জিতেছিলেন সঞ্জিতা। ৪৮ কেজি বিভাগে তাঁর কাছে হেরে গিয়েছিলেন টোকিও অলিম্পিকে রুপো পাওয়া ওয়েটলিফ্টার মীরাবাঈ চানু। ২০১৮ সালে গোল্ড কোয়েস্ট কমনওয়েলথ গেমসে আবার সোনা জিতেছিলেন সঞ্জিতা। এ বার ৫৩ কেজি বিভাগে পেয়েছিলেন সাফল্য। মীরাবাঈয়ের মণিপুরী প্রতিবেশি যে লজ্জায় ফেলে দেবেন, তা অবশ্য কেউ ভাবেননি।
তবে নাডার তিন সদস্যের কমিটির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২১ দিনের মধ্যে পাল্টা আবেদন করতে পারবেন সঞ্জিতা। তাতে খুব একটা সুবিধা করতে পারবেন না বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। নাডার প্যানেলের সদস্যরা বলেছেন, ‘সঞ্জিতা কেন ওই নিষিদ্ধ ওষুধ নিতেন, তার কোনও ডাক্তারি নথি নেই। অর্থাৎ, খাবার, সাপ্লিমেন্ট বা ওষুধের মধ্যে দিয়ে তিনি এই নিষিদ্ধ ওষুধ সেবন করেছেন।’
