Game

3 years ago

Aaron Finch : আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে হঠাৎ বিদায় জানালেন অ্যারন ফিঞ্চ

Aaron Finch
Aaron Finch

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ অ্যারন ফিঞ্চ-র আন্তর্জাতিক ক্রিকেট জীবনে যবনিকা পড়ল। সব ধরনের ক্রিকেট থেকে বিরতি নিলেন অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপজয়ী এই অধিনায়ক। চলতি বছর অস্ট্রেলিয়া নতুন অধিনায়কের নেতৃত্বে টি ২০ আন্তর্জাতিক খেলতে নামবে। ২০২১ সালে ফিঞ্চের অধিনায়কত্বেই অস্ট্রেলিয়া প্রথমবার টি ২০ বিশ্বকাপ জেতে। যদিও গত বছর দেশের মাটিতে সেই কাপ ধরে রাখতে পারেনি।

অ্যারন ফিঞ্চ দেশের হয়ে শেষ টেস্ট খেলেছেন ২০১৮ সালে। সীমিত ওভারের ক্রিকেটই খেলছিলেন। যদিও তাঁর ফর্ম ছিল পড়তির দিকে। গত বছর সেপ্টেম্বরে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছিলেন। দেশের মাটিতে টি ২০ বিশ্বকাপ ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ ছিল। কিন্তু টি ২০ বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হয় অস্ট্রেলিয়া। যেহেতু ২০২৩ সালে খুব বেশি টি ২০ আন্তর্জাতিক খেলার কথা নেই অস্ট্রেলিয়ার এবং বেশ কয়েক মাসের গ্যাপ রয়েছে তাতেই মনে করা হচ্ছিল ফিঞ্চ টি ২০ আন্তর্জাতিককেও বিদায় জানাবেন এবং সেটিই হলো।

শেষ ম্যাচ টি ২০ বিশ্বকাপেই

 টি ২০ বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচটি ফিঞ্চ খেলতে পারেননি চোটের কারণে। তিনি তখনই জানিয়েছিলেন, ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবেন বিগ ব্যাশ লিগের সময়ই। মেলবোর্ন রেনেগেডসের হয়ে এবারের বিগ ব্যাশে ফিঞ্চ ভালো ছন্দেই ছিলেন। ৩৮.৯০ গড় রেখে ৪২৮ রান করেন। অস্ট্রেলিয়ার পরবর্তী টি ২০ সিরিজ রয়েছে অগাস্টে, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে। যদিও সেই অবধি আর আন্তর্জাতিক কেরিয়ারকে টানতে চাইলেন না ফিঞ্চ।

আগামীর দিকে তাকিয়ে 

অ্যারন ফিঞ্চ তাঁর বিবৃতিতে বলেন, ২০২৪ সালে পরবর্তী টি ২০ বিশ্বকাপ অবধি খেলতে পারব না, এটা অনুভব করছিলাম। সরে দাঁড়ানোর এটিই সেরা সময়। এর ফলে বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য দলের কাছে সময় থাকবে। সেইমতো দল গঠন সম্ভব হবে। পরিবার, বিশেষ করে স্ত্রী অ্যামি, সতীর্থ, ক্রিকেট ভিক্টোরিয়া, ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া, অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন ফিঞ্চ। সর্বোপরি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যে ক্রিকেটপ্রেমীরা সমর্থন করে এসেছেন তাঁদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাতে ভোলেননি অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক। টি ২০ বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি দেশের মাটিতে ২০১৫ সালে ৫০ ওভার বিশ্বকাপ জিততে পারার অভিজ্ঞতাকেই কেরিয়ারের সেরা দুই স্মরণীয় মুহূর্ত হিসেবে বেছে নিয়েছেন। ১২ বছরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট জীবনে একঝাঁক গ্রেট প্লেয়ারদের সঙ্গে খেলার সুযোগ পেয়ে তিনি সম্মানিত বলেও জানান।

You might also like!