
জলপাইগুড়ি: ভোটে ভয় ধরাচ্ছে বন্যপ্রাণীদের আক্রমণ। সেই সঙ্গে আছে ভোট জালিয়াতির আশঙ্কা। ধূপগুড়ির উপনির্বাচন যাতে নির্বিঘ্নে হয়, তার জন্য বাড়তি সতর্কতা রয়েছে রাজ্য নির্বাচন দফতর।
এই বিধানসভা এলাকার মধ্যে পড়ে বানারহাট। তার অনেকটা জঙ্গল এলাকা ও চা বাগান। এখানে বন্যপ্রাণীদের হামলার আশঙ্কা থাকে প্রতি মুহূর্তে। ভোটেও তাই এটা বাড়তি আশঙ্কার। তবে সতর্ক কমিশনও। সোমবারই নিরাপদে ভোটকর্মীদের পাঠানো হয়েছে জঙ্গলের ভোটকেন্দ্রগুলিতে। তাঁদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা।
মঙ্গলবার ধূপগুড়ি বিধানসভার উপ নির্বাচনে প্রতিটি বুথে থাকছে নূন্যতম ১ সেকশন অর্থাৎ ৮ জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। ভোটের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তার মধ্যে হল, ১৫৫ বুথে থাকছে ওয়েব কাস্টিং। ১১০ টি বুথে সিসিটিভি। ৪০ জন মাইক্রো অবজারভার।
ভোটগ্রহণ হবে সকাল ৭ টা থেকে সন্ধ্যে সাড়ে ৬টা। বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে থাকবে ১৪৪ ধারা। ২ টি বুথ রয়েছে মহিলা পরিচালিত। কিউআরটি থাকবে ২৭ টি। বুথের বাইরের নিরাপত্তার জন্য থাকছে রাজ্য পুলিশ। ধূপগুড়ি বিধানসভা উপনির্বাচনে ৭জন প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারণ হবে।
ধূপগুড়ি উপ নির্বাচনে মোট বুথের সংখ্যা ২৬০ টি। তার মধ্যে স্পর্শ কাতর বুথ ৭২টি। মোট ভোটারের সংখ্যা ২৬৯৪১৬ জন। মোট ভোট কর্মী ১২০০ জন। উপ নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে ৩০ কোম্পানি। ভোট গ্রহণ শুরু হবে সকাল ৭ টা থেকে। তা চলবে সন্ধ্যা ৬.৩০ পর্যন্ত (এবার ভোট গ্রহণের সময় বেড়েছে। ৫ টার বদলে ৬.৩০ পর্যন্ত)।
