
রামপুরহাট, ১৩ জানুয়ারি : ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ কর্মসূচিতে গিয়ে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। আবু তাহেরের পর এবার বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায়কে উদ্দেশ করে ক্ষোভ উগরে দিলেন স্থানীয়রা। শুক্রবার রামপুরহাটের মেলেরডাঙা ও বিষ্ণুপুরে বিক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। এমনকী তাঁকে বসন্তের কোকিল বলে মন্তব্য করেন অনেকে। কোনওক্রমে গ্রামবাসীদের বুঝিয়ে এলাকা ছাড়েন শতাব্দী।
এদিন রামপুরহাটের মেলেরডাঙায় দিদির সুরক্ষা কবচ কর্মসূচি পালন করতে যান শতাব্দী। সাংসদকে দেখেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা। তাঁদের অভিযোগ, সারা বছর সাংসদের দেখা পাওয়া যায় না। সাংসদকে পাওয়া যায় শুধু ভোটের সময়। মেলেরডাঙা থেকে রামপুরহাট যাওয়ার রাস্তার অবস্থা খারাপ। বারবার পঞ্চায়েতে জানিয়েও কাজ হয়নি। গ্রামে পাকা বাড়ির মালিকরা প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় একের পর এক ঘর পেয়েছেন। কিন্তু প্রকৃত প্রাপকরা বঞ্চিত।
বিক্ষোভের মুখে শতাব্দীকে বলতে শোনা যায়, আপনার বাড়ির সবার একসঙ্গে ক্ষিদে পায় তাহলে কি আপনি তাদের একসঙ্গে খেতে দিতে পারবেন? আপনাকে এক এক জন করে দিতে হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তেমনই করছেন। আপনাদের অভাব অভিযোগ আমার কাছে জমা দিন। আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পৌঁছে দেব। এরপর বিষ্ণুপুর গ্রামে গিয়েও প্রায় একই রকম অভিজ্ঞতা হয় শতাব্দীর।
