Breaking News
 
Chinmoy Prabhu: চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবিতে কলকাতায় ফের বিক্ষোভ, সন্ন্যাসীদের মিছিলে পুলিশি বাধায় উত্তেজনা Flydubai Attack: ৯/১১-র পর বিমানে ‘অস্ত্র’ নিয়ে বড় বদল, সেই নিয়মের সুযোগেই জঙ্গি হামলা? প্রকাশ্যে সরকারি বিবৃতি Siliguri Cow Smuggling Row: গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে মৃত্যু যুবকের, ভাঙচুর একাধিক গাড়ি, উত্তেজনা WB Special Ration Package: পুজোর আগে রেশনে ‘ফেস্টিভ প্যাকেজ’! অর্ধেক দামে ময়দা-চিনি-সুজি, জানুন বিস্তারিত Suvendu on Mamata : নন্দীগ্রামে মমতার চোট নিয়ে ফের তদন্তের নির্দেশ, রিপোর্ট হাতে শুভেন্দু, ভোটের পর শুরু তদন্ত প্রক্রিয়া Bayron Biswas: বাড়িতেই অগ্নিদগ্ধ ঋতব্রতপন্থী বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস, শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক

 

West Bengal

1 month ago

Kalyan Banerjee : হাই কোর্টে নজিরবিহীন উত্তেজনা, ‘চটিচাটা’ বনাম ‘বুটচাটা’ নিয়ে কল্যাণ-এজির বচসা

Kalyan Banerjee
Kalyan Banerjee

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:মসজিদ থেকে লাউডস্পিকার খোলা নিয়ে জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে নজিরবিহীন উত্তপ্ত পরিস্থিতি কলকাতা হাইকোর্টে। শুনানি চলাকালীন বর্ষীয়ান সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্রের মধ্যে শুরু হয় তীব্র বাকবিতণ্ডা। একে অপরকে ‘চটিচাটা’ এবং ‘বুটচাটা’ বলে কটাক্ষ ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আদালতকক্ষ। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে, শেষ পর্যন্ত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি সামাল দিতে হয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে।

বৃহস্পতিবার বিচারপকি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি অতরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি চলছিল। মামলাকারী ডেনিস ফারুকি দাবি করেন, শ্রীরামপুর, রিষড়া, চাঁপদানি, ভদ্রেশ্বর-সহ একাধিক এলাকার মসজিদ থেকে প্রায় ৪ হাজার লাউডস্পিকার খোলার জন্য মৌখিকভাবে চাপ দিচ্ছে পুলিশ। অথচ ১৯৯৯ সালে কলকাতা হাই কোর্টের তরফে নির্দিষ্ট শব্দসীমা মেনে আজানের সময় মাইক্রোফোন ব্যবহারে ছাড়পত্র দেওয়া হয় বলেই দাবি করেন মামলাকারী। এই সওয়াল জবাবের মাঝে সাংসদ-আইনজীবী কল্যাণের দাবি, তাঁকে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল আক্রমণ করেন। ‘চটি চেটে খায়’ বলে কটাক্ষ করেন তিনি। পালটা অবশ্য ক্ষোভ উগরে দেন সাংসদ। তিনি বলেন, “উনি তো শুভেন্দু অধিকারীর বুট চেটে খাওয়া অ্যাডভোকেট জেনারেল।”

এজলাস থেকে বেরিয়ে কল্যাণ বলেন, “মোদি এবং শাহের বিরুদ্ধে সংসদে আওয়াজ তোলার জন্য আমাকে সাসপেন্ড করা হয়। আর এখানে রাজ্য সরকারের উকিলদের অপ্রাসঙ্গিক ও উলটোপালটা অভিযোগ তোলার বদভ্যাস হয়ে গিয়েছে। সংবেদনশীল মামলায় রাজ্য সরকার হারছে। তাদের চাপ তৈরি হচ্ছে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় যাঁদের জেলে ঢোকানো হচ্ছে, তাঁরা জামিনে মুক্তি পেয়ে যাচ্ছেন। চাপ থেকে এমন দুর্ব্যবহার।” এরপর সরাসরি এজিকে আক্রমণ করে কল্যাণের তোপ, “একজন দেওয়ানি আদালতের উকিল কি কনস্টিটিউশনাল ল বুঝবেন? সংবিধান সংক্রান্ত কোনও ধারণা ছাড়া স্রেফ টেকনিক্যাল পয়েন্ট তুলে সময় অপচয়ের চেষ্টা চলছে।” ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এদিকে, এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী মঙ্গলবার। জোর করে মসজিদ থেকে লাউডস্পিকার সরানোর অভিযোগ প্রসঙ্গে পুলিশ কী করছে, কোনও হস্তক্ষেপ করেছে কিনা, তা পরবর্তী শুনানিতে জানাতে হবে।

You might also like!