
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ বড়দিনের আগে ব্যান্ডেলে ঘটে গেল অঘটন। চার্চ সংলগ্ন এলাকায় আগুনে ভস্মীভূত একাধিক দোকান। সূত্রের খবর, ছয় থেকে সাতটি দোকান আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। দমকলের একটি ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যবসায়ীদের সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন চুঁচুড়া বিধায়ক অসিত মজুমদার।
দু'দিন পর বড়দিন। সেজে উঠছে ব্যান্ডেল চার্চ। প্রতি বছরই বড় দিনের মেলা বসে ব্যান্ডেল চার্চের সামনে। সেই মেলার সাতটি দোকানে আগুন লেগে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ছোটোদের খেলনা, ইমিটেশান, চশমা, চুরি, মনোহারির দোকানের পসরা নিয়ে বসেন ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয়রা জানান, গতকাল রাত একটা দশ নাগাদ আগুন লাগে। স্থানীয় কালিতলা জেলেপারার বাসিন্দারা জল দিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করেন। পরে আসে দমকলের একটি ইঞ্জিন। চুঁচুড়া থানার পুলিশ পৌঁছয় ঘটনাস্থলে। কিছুক্ষণের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা গেলেও ততক্ষণে পুড়ে ছাই হয়ে যায় একাধিক দোকান।
শুক্রবার সকালে চুঁচুড়া পুরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনিন্দিতা রাজবংশি মণ্ডল চার নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জয় পাল ঘটনাস্থলে যান। অনিন্দিতা জানান, প্রতি বছর বড়দিন উপলক্ষে হাজার হাজার মানুষের সমাগম হয় ব্যান্ডেল চার্চে। মেলা বসে। বেচাকেনা ভালোই হয়। ঋণ নিয়ে দোকান সাজান বিক্রেতারা। সেই দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। কী করে আগুন লাগল তা বোঝা যাচ্ছে না।
আগামী ২৩ তারিখ সিসি ক্যামেরা বসানোর কথা। তার আগেই এই আগুন। ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে পুলিশ, বড়দিনের আগেই এই ঘটনায় ভেঙে পড়েছেন ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা।ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার। ক্ষতিগ্রস্থ দোকানদারদের সঙ্গে কথা বলেন। বিধায়ক তাঁদের বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত দোকানদারদের জেলা শাসককে একটি আবেদন করতে। কার কত ক্ষতি হয়েছে সেটা জানতে হবে। পরে বিধায়ক বলেন, কোনও ভাবে আগুন লেগে দোকানগুলো ভস্মীভূত হয়ে যায়। প্রত্যেকেই গরীব,ঋণ নিয়ে দোকান করে। ব্যবসায়ীদের সাহায্য করা যায় কীভাবে তা দেখব।
