
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ শুক্রবার বীরভূমে ‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ কর্মসূচিতে যান শতাব্দী। দলীয় সূত্রে খবর, ওই কর্মসূচির পর বিষ্ণুপুর এলাকার তেঁতুলিয়া গ্রামে দলীয় এক কর্মীর বাড়ির উঠোনে মধ্যাহ্নভোজনের আয়োজন করা হয়েছিল। মেনুতে ছিল ভাত, ডাল, এঁচোড়ের তরকারি, খাসির মাংস, মাছ। সেখানে শতাব্দীও আমন্ত্রিত ছিলেন। কর্মসূচির পর সেখানেই যান তৃণমূল সাংসদ।
দলীয় কর্মীরা আশায় ছিলেন সাংসদের সঙ্গে পাত পেড়ে খাওয়া দাওয় হবে, দলের কর্মী-সমর্থকদের পাশে খেতে বসেওছিলেন বীরভূমের সাংসদ। কিন্তু শালপাতার থালায় দেওয়া মাংসভাত ছুঁয়েই দেখলেন না তিনি। খেতে বসার ‘ছবি ওঠা’র পরেই উঠে পড়লেন সাংসদ।
এই ঘটনার একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসতেই বিতর্ক শুরু হয়েছে।সূত্রে খবর, দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে উঠোনে বসে না খেলেও ওই কর্মীর বাড়ির ভিতরে গিয়ে খাওয়াদাওয়া করেছেন সাংসদ। মধ্যাহ্নভোজনের সময় সেখানে উপস্থিত থাকা স্থানীয় এক তৃণমূল নেতা বলেন, ‘‘অনেকেই ভেবেছিলেন, শতাব্দী দি হয়তো তাঁদের পাশে বসেই খাওয়াদাওয়া করবেন। কিন্তু সারা দিন গ্রামেগঞ্জে ঘুরে সকলেই ক্লান্ত ছিলেন তিনি , সেই কারণেই বাড়ির ভিতরে বসে খেয়েছেন উনি।’’
‘দিদির সুরক্ষা কবচ’ কর্মসূচিতে গিয়ে শুক্রবারই বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন শতাব্দী। রামপুরহাটের মাড়গ্রামে তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়েরা। শতাব্দীও বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের ক্ষোভ প্রশমনের চেষ্টা করেন। সেই ঘটনার পরে এবার ভোজন-বিতর্কে জড়ালেন সাংসদ।
