Breaking News
 
Narendra Modi: জনসমুদ্রে ‘সোনার বাংলা’র অঙ্গীকার! গেরুয়া ঝড়ে কাঁপল কলকাতা, ব্রিগেডে জনতার শক্তির জয় Suvendu Adhikari: প্রতিশোধ নয়, পরিবর্তনই লক্ষ্য! জোড়াসাঁকো থেকে বিরোধীদের সংযত হওয়ার বার্তা শুভেন্দু অধিকারীর Mamata Banerjee: মমতার অন্ধ স্নেহেই কি ডুবল দল? ফিরহাদ-কন্যার ধৃতরাষ্ট্র-মন্তব্যে পাল্টাহাওয়ার ইঙ্গিত ঘাসফুল শিবিরে Suvendu Adhikari: শ্যামাপ্রসাদের উত্তরসূরি হিসেবে উদয়! ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে বাংলার নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন শুভেন্দু Kolkata Police :হাতবদল হতেই পরিচয় বদল! কলকাতা পুলিশের এক্স হ্যান্ডেলে অপসারিত ‘দিদি’, জায়গা নিলেন ‘দাদা’ West Bengal Assembly Election Result 2026 :বকেয়া জট কাটল এক লহমায়! শপথের প্রাক্কালে বাংলার উন্নয়ন তহবিলে কেন্দ্রের সবুজ সংকেত

 

West Bengal

2 years ago

Rabi crop cultivation in WB : পাম্প আছে কিন্তু তাতে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই! রবি শস্য চাষের মরসুমে বিপাকে চাষীরা

Submersible pump cannot be started due to lack of electricity  (Collected)
Submersible pump cannot be started due to lack of electricity (Collected)

 

দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ  রবি মরসুমে জলের অভাবে সমস্যায় পড়েছেন কাঁকসার বিদবিহার পঞ্চায়েতের নবগ্রামের চাষীরা। এই গ্রামের চাষিদের অভিযোগ বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় চালু করা যাচ্ছে না দু’টি সাবমার্সিবল পাম্প, ফলে  রবি শস্যের মরসুমে জলের অভাবে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। কাঁকসা পঞ্চায়েত সমিতির তরফে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৭-য় বীরভূমের জয়দেব থেকে কাঁকসার শিবপুর পর্যন্ত অজয় নদের উপরে একটি পাকা সেতু নির্মাণের কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কাজও শুরু হয়। সেতুটি নির্মাণ করতে গিয়ে নবগ্রামের বেশ কিছু জমি অধিগ্রহণ করা হয়। বাসিন্দাদের দাবি, এর ফলে, এলাকার বেশ কয়েকটি সাবমার্সিবল পাম্প নষ্ট হয়ে যায়। সে সময়ে স্থানীয় প্রশাসনের তরফে এলাকায় আরও কয়েকটি সাবমার্সিবল পাম্প বসানোর কথা বলা হয়।


নবগ্রামের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, গ্রামের প্রায় প্রত্যেকেই কৃষির সঙ্গে যুক্ত। ধান ছাড়াও সারা বছর নানা ধরনের আনাজ চাষ করেন অনেকে। চাষের কাজের সুবিধার জন্য অনেকে ব্যক্তিগত ভাবে সাবমার্সিবল পাম্প বসিয়েছিলেন। সেতু তৈরির জন্য সে সব নষ্ট হয়ে যায়। এর পরেই এলাকায় নতুন সাবমার্সিবল পাম্প বসানোর দাবি ওঠে। স্থানীয়দের দাবি, পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির তরফে এলাকায় প্রায় সাতটি সাবমার্সিবল পাম্প বসানোর কথা ঘোষণা করা হয়। প্রায় ন’মাস আগে মাত্র দু’টি পাম্পের কাজ হয়েছে। প্রায় তিন লক্ষ টাকায় পাম্পঘর তৈরি হয়ে গেলেও, সেগুলি থেকে এখনও জল মিলছে না।

উল্লেখ্য, এখানে সাবমার্সিবল বা স্যালো ছাড়া জলের অন্য কোনও উৎস নেই। আর বিদ্যুতের অভাবে চাষীদের বিপদে পড়তে হচ্ছে। উল্লেখ্য, এ বছর জলের অভাবে আমন ধানের চাষ মার খেয়েছে। রবি মরসুমেও জলের অভাবে আনাজের বাড় কম হচ্ছে।স্থানীয় চাষীদের দাবি  বার বার প্রশাসনের নানা মহলে জানিয়েও কাজ হয়নি। 

এ প্রসঙ্গে, কাঁকসা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ভবানী ভট্টাচার্য বলেন, “সমস্যার কথা শুনেছি। ওই দু’টি সাবমার্সিবল পাম্পে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।”

You might also like!