
পাথরপ্রতিমা, ২৫ ডিসেম্বর: দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমার শ্রীধরনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপেন্দ্রনগর এলাকার নদীর চরে দেখা মিলেছে বাঘের পায়ের ছাপ। শনিবার বেলার দিকে পাশের ধান জমিতেও বাঘের একাধিক পায়ের ছাপ দেখা গিয়েছে। রবিবার দুপুর এবং সন্ধ্যা নাগাদ লোকালয়ের পার্শ্ববর্তী জঙ্গল থেকে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের গর্জন শোনা গিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আতঙ্কে এলাকার গ্রামবাসীরা কার্যত ঘরবন্দি হয়ে গিয়েছেন।
বাঘের উপস্থিতির খবর পেয়ে বন দফতরের রামগঙ্গা, রায়দিঘি ও ধনচি রেঞ্জের আধিকারিক ও কর্মীরা এসে হাজির হয়েছেন। বাঘকে ধরার জন্য সমস্ত ব্যবস্থাপনাও করেছেন তাঁরা। ধনচির জঙ্গলের ঠিক উল্টোদিকের লোকালয়ে, জঙ্গল বরাবর নদীর ধারে নাইলনের জাল দিয়ে ঘিরে ফেলার কাজ শুরু হয়েছে। রবিবার দুপুর এবং সন্ধ্যা নাগাদ লোকালয়ের পার্শ্ববর্তী জঙ্গল থেকে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের গর্জন শোনা গিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বাঘের আতঙ্কে অন্ধকার নামতেই বাঁশ, লাঠি নিয়ে পাহারা দিচ্ছেন গ্রামবাসীরা। নদীর চরে জ্বালানো হয়েছে টায়ার ও মশাল। বনকর্মীদের পাশাপাশি গোবর্ধনপুর উপকূল থানার পুলিশকর্মীরাও টহল দিচ্ছেন এলাকায়।
বন কর্মীদের অনুমান, বাঘটি সুন্দরবনের কলসের জঙ্গল থেকে নদী পেরিয়ে লোকালয়ের জঙ্গলে ঢুকেছে। সোমবার সকাল থেকে বনকর্মীরা বাঘের পায়ের ছাপ দেখে তাঁর যাওয়ার দিক নির্ণয়ের পাশাপাশি বাঘটিকে খোঁজার চেষ্টা চালাচ্ছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমার শ্রীধরনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপেন্দ্রনগর এলাকার নদীর চরে দেখা মিলেছে বাঘের পায়ের ছাপ। শনিবার বেলার দিকে পাশের ধান জমিতেও বাঘের একাধিক পায়ের ছাপ দেখা গিয়েছে। রবিবার দুপুর এবং সন্ধ্যা নাগাদ লোকালয়ের পার্শ্ববর্তী জঙ্গল থেকে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের গর্জন শোনা গিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আতঙ্কে এলাকার গ্রামবাসীরা কার্যত ঘরবন্দি হয়ে গিয়েছেন।
বাঘের উপস্থিতির খবর পেয়ে বন দফতরের রামগঙ্গা, রায়দিঘি ও ধনচি রেঞ্জের আধিকারিক ও কর্মীরা এসে হাজির হয়েছেন। বাঘকে ধরার জন্য সমস্ত ব্যবস্থাপনাও করেছেন তাঁরা। ধনচির জঙ্গলের ঠিক উল্টোদিকের লোকালয়ে, জঙ্গল বরাবর নদীর ধারে নাইলনের জাল দিয়ে ঘিরে ফেলার কাজ শুরু হয়েছে। রবিবার দুপুর এবং সন্ধ্যা নাগাদ লোকালয়ের পার্শ্ববর্তী জঙ্গল থেকে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের গর্জন শোনা গিয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বাঘের আতঙ্কে অন্ধকার নামতেই বাঁশ, লাঠি নিয়ে পাহারা দিচ্ছেন গ্রামবাসীরা। নদীর চরে জ্বালানো হয়েছে টায়ার ও মশাল। বনকর্মীদের পাশাপাশি গোবর্ধনপুর উপকূল থানার পুলিশকর্মীরাও টহল দিচ্ছেন এলাকায়।
বন কর্মীদের অনুমান, বাঘটি সুন্দরবনের কলসের জঙ্গল থেকে নদী পেরিয়ে লোকালয়ের জঙ্গলে ঢুকেছে। সোমবার সকাল থেকে বনকর্মীরা বাঘের পায়ের ছাপ দেখে তাঁর যাওয়ার দিক নির্ণয়ের পাশাপাশি বাঘটিকে খোঁজার চেষ্টা চালাচ্ছে।
