
বাঁকুড়া, ৯ ফেব্রুয়ারি : কুয়োর মধ্যে থেকে এক যুবকের দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বাঁকুড়ার রসুলপুর গ্রামে। মৃত যুবকের নাম পবিত্র চৌধুরী। পরিবারের তরফে খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান মৃত যুবকের পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা।
জানা গেছে, এক বন্ধুর ডাকে পবিত্র কর্মসূত্রে খাতড়ায় গিয়েছিলেন। মঙ্গলবার রাতে খাতড়া শহরের রামকৃষ্ণ সরণীর একটি কুয়োর মধ্যে থেকে ওই যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। বুধবার সন্ধ্যায় ওই যুবকের মৃতদেহ গ্রামে পৌঁছলে ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার মানুষ। মৃত্যুর প্রতিবাদে ও অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে রসুলপুর বাজারে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। মৃতের পরিবার সূত্রে জানানো হয়েছে, পবিত্র চৌধুরী বাঁকুড়া শহরের একটি ব্যাঙ্কে আধার কার্ড তৈরির কাজ করেন।
মৃতের পরিবারের তরফে দাবি, পবিত্রকে খুন করা হয়েছে। এই ঘটনায় তাঁর বন্ধু, ইন্দাসের সোমসার গ্রামের বাসিন্দা ও কর্মসূত্রে খাতড়া শহরে থাকা বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী ও খাতড়া থানার এক পুলিশ আধিকারিক যুক্ত বলে অভিযোগ করেন তাঁরা। পরিবারের তরফে খাতড়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। মৃতের বাবা সুজিত চৌধুরী বলেন, " আমাদের প্রত্যেকের ধারণা ওঁকে খুন করা হয়েছে। কুয়োর মধ্যে পড়ে গিয়ে ওঁর মৃত্যু হয়েছে এটা কোনওভাবেই সত্যি নয়। ওঁর মাথার পেছনে আঘাত রয়েছে। অনেকটা রক্তপাত হয়েছে।"
