West Bengal

3 years ago

TMC clash :আবারো তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলে চলল গুলি আহত ২

Tmc clash
Tmc clash

 

শিল্পী দত্ত কোচবিহার  : তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল পিছু ছাড়ছে না কোচবিহারে। এবার গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে চলল গুলি। মঙ্গলবার তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে জমি নিয়ে বিবাদের জেরে চলল গুলি উত্তপ্ত গীতালদহ। আহত উভয় গোষ্ঠীর দুই সমর্থক। জমসের আলী ও রাজু হক নামে আহত দুই ব্যাক্তি বর্তমানে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে তাদের মধ্যে রাজু হকের নামে পুরনো মামলা থাকায় তাকে ইতিমধ্যেই দিনহাটা থানার পুলিশ গ্রেফতার করে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে। অপরদিকে জমসের আলীর অবস্থা সংকটজনক। প্রসঙ্গত উল্লেখযোগ্য  রাজু হক গিতালদহ ১ নম্বর অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মাফুজার রহমানের ঘনিষ্ঠ ও অপরদিকে জমসের আলী প্রাক্তন প্রধান ও অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি আবু আল আজাদের ঘনিষ্ট বলেই পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে এই এলাকায় এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে উভয় গোষ্ঠীর মধ্যে কোন্দল চলছিল। আহত জমসের আলীর স্ত্রী অভিযোগ করে বলেন -  তার স্বামী সম্পূর্ণ নির্দোষ। বর্তমান অঞ্চল সভাপতি মাফুজার রহমানের লোকজন মঙ্গলবার সকালে আচমকাই তাদের বাড়িতে গিয়ে বোমাবাজি করে এবং সকলকে মারধর করেন। কোনক্রমে  জমসের আলী বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেলে তাকে পিছু ধাওয়া করে বাড়ির অদূরে তাকে মারধর করেন।  যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে বর্তমান অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি মাফুজার রহমান। পাল্টা মাহফুজার রহমান অভিযোগ করে বলেন-  জমসের আলীর লোকজনেই রাজু হককে মারধর করে এবং তার পায়ে গুলি করে। যদি ওই ঘটনাকে কটাক্ষ করেছে বিরোধীরা। এই প্রসঙ্গে দিনহাটার বিজেপি নেতা অজয় রায় বলেন - সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার আগে কার হাতে এলাকা তা নিয়ে  দিদির গোষ্ঠীর সাথে ভাইপো গোষ্ঠীর লড়াই চলছে। তিনি বলেন এই দলে হার্মাদ আর উন্মাদ ছাড়া ভদ্রলোক নেই। তৃণমূল সরকারের আমলে বোমা চলবে গুলি চলবে এটাই স্বাভাবিক। এদের অত্যাচারে বাংলার মানুষ অতিষ্ঠ। যদিও কার্যতো গোষ্ঠী কোন্দলের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন কোচবিহার জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষিয়ান নেতা আব্দুল জলিল আহমেদ। তিনি বলেন জমি বিবাদের জেরে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ঘটনা ঘটেছে এর সাথে দলের কোন সম্পর্ক নেই দীর্ঘদিন ধরেই জমি বিবাদ কে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে অশান্তি চলছিল এটা তার প্রতিফলন। কোচবিহার জেলার বিভিন্ন অংশে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল নতুন নয়। গত বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে প্রতিনিয়ত গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে উত্তপ্ত হচ্ছে বিভিন্ন এলাকা। এমত অবস্থায় পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে যেভাবে গোষ্ঠী কোন্দল মাথাচারা দিয়েছে তৃণমূলের অভ্যন্তরে তাতে আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিরোধীদের চাইতে নিজেদের গোষ্ঠী কোন্দলই ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াবে শাসক দলের কাছে স্বভাবতই যার ফসল তুলতে ব্যস্ত থাকবে বিরোধীরা। এই ঘটনার জেরে ইতিমধ্যে উভয়পক্ষের আটজনকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

You might also like!