
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ মঙ্গলবার দুপুর একটা নাগাদ পদাতিক এক্সপ্রেস করে নিউ আলিপুরদুয়ার স্টেশনে এসে পৌঁছালেন বিজেপি ছেড়ে সদ্য তৃণমূলে যোগ দেওয়া বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল। সুমন কাঞ্জিলালকে স্বাগত জানাতে কয়েক হাজার তৃণমূল কর্মী উপস্থিত ছিলেন স্টেশন চত্বরে।
ট্রেন থেকে নেমে সুমন কাঞ্জিলাল এর প্রতিক্রিয়া,মানুষের জন্য কাজ করতে চাই তাই এই সিদ্ধান্ত। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে দল ছাড়ার কারণ হিসেবে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, বিরোধী বিধায়ক হিসেবে দু'বছর কোন কাজই করতে পারিনি। গ্রামেগঞ্জে গেলে লোকের মুখে শুনতে হচ্ছে রাজ্যের শাসক দলকে শায়েস্তা করতে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ আটকে দিয়েছে কেন্দ্র সরকার।একজন জনপদের হিসাবে এই ধরনের রাজনীতি আমি কোনোভাবেই মেনে মেনে নিতে পারিনি।
পৃথক উত্তরবঙ্গ রাজ্য প্রসঙ্গে সুমন কাঞ্জিলাল জানান, সত্যি এটাই কি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যে বিষয়ে আজ অবধি বিজেপির রাজ্য এবং কেন্দ্র নেতৃত্ব এক মঞ্চে এসে কোনদিনই তা সরাসরি ভাবে বলেননি। অথচ স্থানীয় কিছু সংসদ এবং বিধায়ক মানুষের ভাবাবেগ নিয়ে মন্তব্য করে হাওয়া গরম করার চেষ্টা করছে। আমি বলবো বিজেপির রাজ্য এবং কেন্দ্রের নেতৃত্ব একসাথে এসে বসে এর একটা সুস্পষ্ট জবাব দিক।
তবে দলবদল নিয়ে প্রশ্ন করলে সাংবাদিকের প্রশ্ন সরাসরি এড়িয়ে যান সুমন কাঞ্জিলাল। এমনকি বিধানসভায় শাসক আসনে বসবেন না বিরোধী আসনে বসবেন তা নিয়েও কোন সুস্পষ্ট জবাব তিনি দেননি।এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে উল্লেখযোগ্য ছিল তার গলায় তৃণমূলের কোনো উত্তোরীও দেখা যায়নি। এমনকি তিনি স্টেশন থেকে জেলা কার্যালয় অব্দি এলেন কোন ঝান্ডাও তিনি হাতে নেননি। তার কারণ জানতে চাইলেও তিনি এই প্রশ্ন এড়িয়ে যান।অন্যান্য সাংসদ এবং বিধায়কদের উচিত রাজ্যের মানুষের স্বার্থে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতকে আরো শক্ত করে তোলা।অথচ তা না করে নিজেদের কাজের ব্যর্থতা থাকতে বিভাজনের রাজনীতি করছে বিজেপির সাংসদ এবং বিধায়কেরা।
