
দুরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্কঃ পরিবেশ ও প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখতে ও পরিবেশের বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য বজায় রাখতে পাখিদের একটি বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু পুরুলিয়ার গ্রাম সংলগি বনাঞ্চলে নির্বিচারে পাখি ধরা ও নিধন চলছিল। এবার পাখিদের জন্য বিশেষ পাহারার ব্যবস্থা করল বনদফতর। গ্রামবাসীদের হাতে তুলে দেওয়া হলো সার্চ লাইট। তাতেই খুশি পাখির জন্য পর্যটকদের কাছে পরিচিত ঝাড়গ্রামের কেন্দুয়া গ্রামের বাসিন্দারা। সমস্যার কথা জানতে পেরে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রামবাসীদের সঙ্গে বৈঠক করে পাহারার ব্যবস্থা করলেন জামবনির রেঞ্জ অফিসার পাপন মহান্ত।
বাংলার অতি দুষ্প্রাপ্য শামুকখোল এলেও, এখানে দুধরাজ, জ্যোৎস্ন বক, মোহনচূড়ার মতো একাধিক পাখির দেখা মেলে কেন্দুয়া গ্রামে। অতিথি পাখিদের আগলে রাখতে কেন্দুয়ার বাসিন্দারা চেষ্টা করলেও চোরাশিকারিদের আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় চিন্তা হচ্ছিল সকলের।
দিনের বেলা চোখে চোখে রাখলেও রাতে চোরাশিকারিদের আটকানো সম্ভব হচ্ছিল না। কেন্দুয়া গ্রামের বাসিন্দা দুবরাজ মাহাতো বলেন, ‘একটু দেরিতে হলেও বনদফতরের টনক নড়েছে। রাতে বনকর্মীদের দিয়ে পাহারার ব্যবস্থা করেছে। গ্রামে সার্চ লাইটও দিয়েছে। দিনের বেলায় গ্রামবাসীরা সবসময় নজরদারি করে। কিন্তু রাত এগারোটা থেকে ভোর তিনটে পর্যন্ত খুবই গুরুত্বপূর্ণ সময়। গ্রামবাসীরা ঘুমিয়ে পড়লেই চোরাশিকারিরা এসে পাখিদের বস্তায় ভরে নিয়ে চলে যাচ্ছিল।এবার সেই দায়িত্ব গ্রামবাসীরা নিজেরাই তাদের কাঁধে তুলে নিলেন।
