Breaking News
 
Chinmoy Prabhu: চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবিতে কলকাতায় ফের বিক্ষোভ, সন্ন্যাসীদের মিছিলে পুলিশি বাধায় উত্তেজনা Flydubai Attack: ৯/১১-র পর বিমানে ‘অস্ত্র’ নিয়ে বড় বদল, সেই নিয়মের সুযোগেই জঙ্গি হামলা? প্রকাশ্যে সরকারি বিবৃতি Siliguri Cow Smuggling Row: গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনিতে মৃত্যু যুবকের, ভাঙচুর একাধিক গাড়ি, উত্তেজনা WB Special Ration Package: পুজোর আগে রেশনে ‘ফেস্টিভ প্যাকেজ’! অর্ধেক দামে ময়দা-চিনি-সুজি, জানুন বিস্তারিত Suvendu on Mamata : নন্দীগ্রামে মমতার চোট নিয়ে ফের তদন্তের নির্দেশ, রিপোর্ট হাতে শুভেন্দু, ভোটের পর শুরু তদন্ত প্রক্রিয়া Bayron Biswas: বাড়িতেই অগ্নিদগ্ধ ঋতব্রতপন্থী বিধায়ক বায়রন বিশ্বাস, শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক

 

West Bengal

1 month ago

Dilip Ghosh : কাজের চাপ, কম কর্মী, ‘আবাস যোজনা’র সমীক্ষার মেয়াদ বাড়ল আরও ১৫ দিন

Dilip Ghosh
Dilip Ghosh

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:‘পশ্চিমবঙ্গ আবাস যোজনা’য় বাড়ল সমীক্ষার সময়সীমা। বাড়ি বাড়ি গিয়ে সমীক্ষার কাজ সম্পূর্ণ করতে আরও ১৫ দিন সময় পেল রাজ্য। বৃহস্পতিবার দুর্গাপুরে এ কথা জানালেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। আগে ১৫ অগস্ট পর্যন্ত সমীক্ষার সময়সীমা নির্ধারিত থাকলেও কেন্দ্রের তরফে তা আরও ১৫ দিন বাড়ানো হয়েছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে অযোগ্য উপভোক্তাদের চিহ্নিত করে তাঁদের কাছ থেকে টাকা ফেরানোর প্রক্রিয়াও চলছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। এদিন দুর্গাপুরের সিটি সেন্টারের সৃজনী প্রেক্ষাগৃহে পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানের জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠক করেন তিনি।

প্রবল বৃষ্টি, তুমুল দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া। একইসঙ্গে চলছে একাধিক কাজ। এই অবস্থায় পঞ্চায়েত দপ্তরে ১১ হাজারেরও বেশি কর্মীর ঘাটতি রয়েছে। সেই কারণে সমীক্ষার কাজে কিছুটা দেরি হয়েছে। তাই সমীক্ষার জন্য আরও ১৫ দিন সময় বাড়িয়ে দেওয়া হল। প্রতিটি বাড়িতে পৌঁছে সঠিকভাবে কাজ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হবে। যেসব বাড়িতে এখনও সার্ভেকর্মীরা পৌঁছতে পারেননি কিংবা কোনও কারণে সার্ভে করা সম্ভব হয়নি, তাঁদের নাম ও ঠিকানা ইমেলে জানালে সেখানে কর্মী পাঠিয়ে সার্ভের ব্যবস্থা করা হবে বলে।

এদিন পূর্বতন সরকারের ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের হিসেব তুলে ধরে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘পুরনো পর্যায়ে প্রায় ৩০ লক্ষ বাড়ির জন্য টাকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১২ লক্ষ বাড়ির কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। তবে সেই উপভোক্তারা আদৌ যোগ্য কি না, তা ফের খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বাকি প্রায় ১৮ লক্ষ বাড়ির কাজ এখনও বাকি রয়েছে। পাশাপাশি দ্বিতীয় পর্যায়ে ২০ লক্ষ ২০ হাজার উপভোক্তার কাছে টাকা পাঠানো হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ের তালিকায় প্রায় সাড়ে ১২ হাজার নাম ফলস বা অযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তাঁদের টাকা ফেরতের জন্য নোটিস পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রায় এক হাজার জন টাকা ফেরত দিয়েছেন। বাকিদের কাছ থেকেও টাকা ফেরতের প্রক্রিয়া চলবে। কেন্দ্রীয় দলের পরিদর্শন ও রিপোর্টের পর বন্ধ থাকা কাজ ফের চালু হয়েছে। তবে কোনও অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। রাজ্যের ১০ শতাংশ পঞ্চায়েতে বিশেষ অডিট চলছে। আবাস ও ১০০ দিনের কাজ-সহ বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোথাও গণ্ডগোল ধরা পড়লে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যারা আবাস যোজনার নামে গরিব মানুষের টাকা আত্মসাৎ করেছে তারা কেউ রেহাই পাবে না।” পাশাপাশি ১২৫ দিনের কাজ ও আবাস যোজনার কাজ কোন গতিতে এগোচ্ছে, সেই নিয়ে দুই জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা হয়। একাধিক নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে।

You might also like!