
বাঁকুড়া, ১৪ ফেব্রুয়ারি : চাকরি দেওয়ার নামে করে বিপুল টাকা লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে হুগলির তৃণমূল যুব নেতা কুন্তল ঘোষের বিরুদ্ধে। তাকে গ্রেফতার করেছে ইডি। কমপক্ষে ৩০ কোটি টাকা তার মাধ্যমে লেনদেন হয়েছে বলে অভিযোগ। হাইকোর্টের নির্দেশে গ্রুপ ডি-র ১৯১১ জনের চাকরিও খারিজ হয়েছে। ওইসব কর্মীদের শূন্যপদ পূরণ করা হবে অপেক্ষা তালিকায় থাকা প্রার্থীদের দিয়ে। বাঁকুড়াও সরগরম হরে উঠল নিয়োগ কেলেঙ্কারি নিয়ে।
চাকরি দেবেন বলে টাকা নিয়েছিলেন। চাকরি তো হয়নি, টাকাও মেলেনি। এদিকে আদেশ চ্যাটার্জি নামে যে তৃণমূল নেতা ৫ লাখ টাকা নিয়েছিলেন বলে অভিযোগ তিনি এখন বেপাত্তা। তাঁকে খুঁজে বের করতে বাঁকুড়া সদর থানার পাতালখুরি গ্রামে পড়ল পোস্টার। মঙ্গলবার সকাল থেকে সেইসব পোস্টারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল এলাকায়। শুরু হয় রাজনৈতিক তরজাও।
পাতালখুরি গ্রামের নেতা তৃণমূল বুথ সভাপতি আদেশ চ্যাটার্জি ও তাঁর ভাই উত্তম চ্যাটার্জিও ছিলেন ভুয়ো গ্রুপ ডি কর্মীদের তালিকায়। তাঁদের চাকরি গিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে আদেশ চ্যাটার্জি টাকা নিয়ে অনেককে গ্রুপ ডি-তে চাকরি করে দিয়েছেন। যদিও কাদের চাকরি তিনি টাকা নিয়ে করে দিয়েছেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। এনিয়েই আদেশ চ্যাটার্জির বিরুদ্ধে পোস্টার পড়েছে গ্রামে। লাল কালিতে লেখা ওই পোস্টার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে, চাকরি দেওয়ার নাম করে ৫ লাখ চাকা ফেরত না দেওয়া হলে প্রকাশ্যে মুখ খোলা হবে। মঙ্গলবার ওই পোস্টার গ্রামবাসীদের নজরে আসতেই তা নিয়ে হইচই পড়ে যায়। পোস্টার পড়তেই আদেশ চ্যাটার্জি ও তার ভাই এখন পলাতক। তবে পোস্টার কারা দিয়েছে তা স্পষ্ট নয়।
