
কলকাতা, ৩ আগস্ট: গত কয়েক বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুজোকে সামাজিক সম্পর্ক উন্নয়নের মাধ্যম করতে চাইাছে বিজেপি। কিন্তু সুবিধা হচ্ছে না। কারণ, প্রতিটিা বড় পুজোর উদ্যোক্তাই মোটামুটি তৃণমূলের মন্ত্রী-নেতা। তবু হাল ছাড়তে রাজি নন বিজেপি-র কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। বাংলার আপন উৎসব দুর্গাপুজোয় দলীয় নেতাদের আরও ঘনিষ্ঠ সংযোগ চায় রাজ্য বিজেপি।
বৃহস্পতিবার দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলায় জেলায় দলীয় প্রেসিডেন্টদের কাছে সেই মর্মে নির্দেশ গিয়েছে। বিজেপির তরফে জানানো হয়েছে, দুর্গাপুজোর সঙ্গে দলের নেতা, কর্মীদের নিবিড় ভাবে যুক্ত হতে হবে। রাজ্যের প্রতিটি জেলার প্রতিটি ব্লকে অন্তত একটি পুজোয় নেতাদের প্রত্যক্ষ ভাবে যুক্ত থাকতে হবে। সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে ওই পুজো সম্পন্ন করবেন নেতা, কর্মীরা। এ বিষয়ে আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।
সূত্রের খবর, জেলা সভাপতিদের কাছে ১০ দফা নির্দেশ পাঠিয়েছে পদ্মশিবির। তার মধ্যে অন্যতম ছিল এই ‘শারদীয়’ নির্দেশটি। অনেকের মতে, দুর্গাপুজোয় সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে দল যাতে আলাদা করে নজর কাড়তে পারে, সেই চেষ্টায় আছেন রাজ্য নেতৃত্ব।
দুর্গাপুজোয় প্রতি বছর ক্লাবগুলিকে আলাদা করে অনুদান দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুজোর উদ্বোধন থেকে শুরু করে বিসর্জন, গোটা প্রক্রিয়াই শাসকদল তৃণমূলের দখলে বলা চলে। ক্লাবগুলিতে তৃণমূল নেতাদের প্রভাব কারও অজানা নয়। কলকাতায় তো বটেই, গোটা রাজ্যেই তৃণমূল নেতাদের নিজস্ব পুজো আছে। সে সবই বড় বাজেটের পুজো। এই দুর্গাপুজোর বাজারেই এ বার পা রাখতে চাইছে বিজেপিও।
