
কলকাতা, ২ অক্টোবর : রাজ্যপালের মুখোমুখি হওয়া এড়াতে গান্ধী জয়ন্তীতে কর্মসূচি খানিকটা বদলে নিল তৃণমূল। সোমবার সকাল সকাল মেয়ো রোডে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে জাতির জনকের মূর্তিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন তৃণমূল নেতারা।
রাজ্য-রাজভবনের মধ্যে লাগাতার সংঘাতের আবহে তৃণমূলের তরফে আগেই ঠিক হয়েছিল, গান্ধী জয়ন্তীতে মেয়ো রোডের অনুষ্ঠানে রাজ্যপালের মুখোমুখি হলেও ন্যূনতম কোনও ‘বার্তালাপের’ মধ্যেও যাবে না শাসকদল। দিন দুই আগেই এনিয়ে দলীয় নির্দেশিকা পৌঁছেছিল নেতাদের কাছে।
এক রাজ্য নেতার কথায়, “রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও দলীয় নেতৃত্ব আমাদের নির্দেশ দিয়েছে, কোনওভাবেই তাঁর সঙ্গে আগ বাড়িয়ে কথা বলতে যাওয়া বা সৌজন্য দেখানোর প্রশ্ন নেই।” কিন্তু সেক্ষেত্রে রাজ্যপাল সৌজন্য দেখিয়ে কথা বলতে চাইলে? “তখন পরিস্থিতি অনুযায়ী বিচার হবে। কিন্তু দলের কেউ নিজে থেকে রাজ্যপালের সঙ্গে কোনও বার্তালাপের মধ্যে নেই”, জানিয়েছিলেন তিনি।
এই পরিস্থিতি এড়াতে তৃণমূলের কিছু নেতাকর্মী মেয়ো রোডে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে জাতির জনকের মূর্তিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করেন।
ছিলেন দলের অন্যতম মুখপাত্র জয়প্রকাশ মজুমদার, কাউন্সিলর বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, সিনিয়র নেতা আশিস চক্রবর্তী, আলোক দাস। অবস্থান বিক্ষোভের কর্মসূচি থাকলেও তা হয়নি। মহাত্মা গান্ধীর মূর্তিতে শ্রদ্ধা জানানোর পর ফিরে যান তৃণমূল নেতারা।
বেলা ১১টা নাগাদ মেয়ো রোডে পৌঁছন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। তাঁর সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ। এরপর দুপুরে সেখানে বিজেপির তরফে শ্রদ্ধা জানাতে যাবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
