
নয়াদিল্লি, ৩০ অক্টোবর : প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি গৌতম পাল এবং ডেপুটি সেক্রেটারি পার্থ কর্মকারকে রক্ষাকবচ দিল না সুপ্রিম কোর্ট। প্রাথমিক নিয়োগ দু্র্নীতির অভিযোগ সংক্রান্ত মামলায় গত ১৮ অক্টোবর গৌতমবাবু এবং পার্থবাবুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। প্রয়োজনে তাঁদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশও দিয়েছিলেন বিচারপতি। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন পর্ষদ সভাপতি। সোমবার সেই আবেদনে সাড়া দেননি বিচারপতি অনিরুদ্ধ বোস এবং বেলা এম ত্রিবেদী।
বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণ ছিল, প্রাথমিকের অনেক মামলা এই আদালতে শুনানি হয়েছে। পর্ষদের বর্তমান সভাপতি-সহ অন্য আধিকারিকরা নতুন প্রিন্ট করা কপিকে ‘ডিজিটাইজড কপি’ বলে দাবি করেছেন। তাই আদালত মনে করছে, পর্ষদ সভাপতি এবং সেক্রেটারিকে জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। সোমবার এই পর্যবেক্ষণের সুরে সুর মিলিয়েই সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, যদি তদন্তে সব রকম সহযোগিতা করা হয়, তা হলে গ্রেফতারের আশঙ্কা কেন? প্রয়োজন হলে আগামী শুক্রবার শুনানির পর রক্ষাকবচ দেওয়া হবে।
২০১৪ সালে প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার উত্তরপত্র (ওএমআরশিট) দেখে নম্বর দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ‘এস বসু রায় অ্যান্ড কোম্পানি’ নামে এক সংস্থাকে। সেই সংস্থার কর্তা কৌশিক মাজিকে নিজাম প্যালেসে ডেকে পাঠিয়ে গত ২২ সেপ্টেম্বর জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই। এর পর বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে টেট পরীক্ষার খাতা সংক্রান্ত রিপোর্ট পেশ করা হয়েছিল।
