
কলকাতা, ২৭ জুন: লিগামেন্টে চোট, হুইলচেয়ারে হাসপাতাল থেকে বেরোলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চিকিৎসকদের পরামর্শ নেওয়ার পর এসএসকেএম থেকে বের হন মমতা। হুইলচেয়ারেই বেরোতে দেখা যায় তাঁকে। পরে গাড়িতে করে চলে যান তিনি। সূত্রের খবর, পা-কোমরে চোট থাকা সত্ত্বেও এসএসকেএমে ভর্তি থাকতে চাইছিলেন না মুখ্যমন্ত্রী। মমতার শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর এসএসকেএমের ডিরেক্টর মণিময় বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীর বাঁ হাঁটুর লিগামেন্টে চোট লেগেছে। চোট রয়েছে তাঁর বাঁ দিকের হিপ জয়েন্টের লিগামেন্টেও।
এদিন জলপাইগুড়ি থেকে ফেরার পথে দুর্যোগের কবলে পড়ে মুখ্যমন্ত্রীর হেলিকপ্টার। জরুরি অবতরণের সময় পা ও কোমরে চোট পান মমতা । কলকাতায় ফিরে নিজের গাড়িতে চেপেই বিমানবন্দর থেকে সোজা চলে যান এসএসকেএম হাসপাতালে। হাসপাতালে ঢোকার পথে হুইলচেয়ার ফিরিয়ে দিলেও তাঁকে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটতে দেখা যায়। তাঁর হাঁটার সমস্যা স্পষ্ট ধরা পড়ে ক্যামেরায়। এরপরই চোটের স্থানে এমআরআই হয় তাঁর। সন্ধেয় মেডিক্যাল বুলেটিনে এসএসকেএমের চিকিৎসক মণিময় বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, “বাঁ পায়ের লিগামেন্টে চোট পেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এছাড়াও পায়ের আরও কিছু অংশে ব্যাথা লেগেছে। হিপ জয়েন্টে লিগামেন্টে আঘাত রয়েছে। আর সেই কারণেই তাঁকে হাসপাতালে ভরতির পরামর্শ দেওয়া হয়।”
তবে ভোটের আবহে হাসপাতালে ভরতি হতে নারাজ মুখ্যমন্ত্রী। তিনি চিকিৎসকদের সাফ জানিয়ে দেন, যা চিকিৎসা প্রয়োজন, বাড়িতেই যেন করা হয়। অর্থাৎ তিনি এদিনই বাড়ি ফিরে যাবেন। তবে এমআরআইয়ের পর মুখ্যমন্ত্রকে সাড়ে ১২ নম্বর কেবিনে নিয়ে যাওয়া হয় হুইলচেয়ারে বসিয়েই। প্রাথমিক ভাবে যতটা শুশ্রূষা প্রয়োজন, সেই প্রক্রিয়া শেষ হতেই হুইলচেয়ারেই বেরোতে দেখা যায় তাঁকে। পরে গাড়িতে করে বাড়ি চলে যান তিনি। বাড়িতেই চিকিৎসা চলবে তাঁর ।
