Breaking News
 
Assam polls 2026: অসমে বিজেপির প্রথম প্রার্থিতালিকা প্রকাশ, জালুকবাড়ি থেকে ফের লড়বেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা Mamata Banerjee: ‘দিল্লি থেকে রিমোট কন্ট্রোল চলছে!’ অফিসারদের ভিন্‌রাজ্যে পাঠানো নিয়ে কমিশনকে তোপ মমতার West Bengal Assembly Election: পানিহাটিতে হাই-ভোল্টেজ লড়াই! তৃণমূলের দুর্গে বিজেপির বাজি ‘অভয়া’র মা, কোন দিকে ঘুরবে জনমত? West Bengal Assembly Election: ১৩ আইপিএস-এর বিদায় ঘণ্টা বাজল! কিন্তু ভোটের ময়দানে বিধাননগর ও শিলিগুড়িতে কেন পুরনো মুখেই ভরসা? West Bengal Assembly Election: শুভেন্দুর ভবানীপুর সফরে ‘গো ব্যাক’ ধ্বনি! পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে থানা ঘেরাও বিরোধী দলনেতার West Bengal Assembly Election:ভাঙড়ে ফের রক্তপাত! নিভৃত এলাকায় বোমা তৈরির সময় বিপত্তি, বিস্ফোরণে উড়ে গেল চাল

 

kolkata

2 days ago

Kolkata Police Commissioner Ajay Kumar Nanda :কেন্দ্রীয় বাহিনী না কি রাজ্য পুলিশ—ভোটের ময়দানে শেষ কথা কে? খোলসা করলেন নতুন সিপি

Kolkata Police Commissioner Ajay Kumar Nanda
Kolkata Police Commissioner Ajay Kumar Nanda

 

দূরন্ত বার্তা ডিজিটাল ডেস্ক:দায়িত্ব নেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কড়া মেজাজে কলকাতা পুলিশের নতুন নগরপাল অজয়কুমার নন্দ। গিরিশ পার্কের ঘটনা নিয়ে ওঠা যাবতীয় বিতর্ক এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ কার্যত উড়িয়ে দিলেন তিনি। কমিশনারের সাফ কথা, 'কলকাতা পুলিশ যেকোনো পরিস্থিতি সামলাতে সক্ষম এবং দক্ষ।' বাহিনীর অভাবের কথা স্বীকার করে নিলেও তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে, তদন্ত প্রক্রিয়া সঠিক পথেই এগোচ্ছে। নির্বাচনের মুখে লালবাজারের নতুন অধিনায়কের এই দৃঢ় অবস্থান একদিকে পুলিশের মনোবল বাড়াবে, অন্যদিকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটের বিষয়ে আমজনতার মনে ভরসা জোগাবে।

মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার। গিরিশ পার্কের ঘটনায় কেন ‘সময়ে’ কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ডাকা হয়নি, সেই নিয়ে ঘটনার পরে প্রশ্ন উঠেছিল। তার জবাবে অজয় বলেন, ‘‘কলকাতা পুলিশ এ ধরনের পরিস্থিতি সামলাতে যথেষ্ট দক্ষ। সেই সময়ে বাহিনী কাছে ছিল না। স্বল্প সময়ে গোটা ঘটনা হয়েছে। তা বলে এমন নয়, আমরা এই পরিস্থিতি সামলাতে পারি না।’’ অজয় আরও বলেন, ‘‘এখন রাজ্যে খুব বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী নেই। আইনশৃঙ্খলার বিষয়টি আমরা নিজেরাই দেখি। মিটিং, মিছিলও আমরাই দেখি।’’ তার পরেই তিনি আবার মনে করিয়ে দেন, কলকাতা পুলিশ এ ধরনের পরিস্থিতি সামলাতে সক্ষম। তা ছাড়া, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কখন ডাকা হবে, তা নিয়ে কোনও বিধি বা ‘ওয়াটারটাই়়ট বাউন্ডারি’ নেই। তবে এই ঘটনাকে তিনি ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলেও বর্ণনা করেন।

পাশাপাশি, কলকাতার নতুন পুলিশ কমিশনার এ-ও জানিয়েছেন যে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কোনও ‘দ্বন্দ্ব’ পুলিশের নেই। আসন্ন নির্বাচনে পরোক্ষ ভাবে সাহায্য করবে বাহিনী। অজয়ের কথায়, ‘‘দফায় দফায় নির্বাচনে বাহিনী মোতায়েন হয়। পরোক্ষ ভাবে তারা সাহায‍্য করে। আমাদেরও ছাড়পত্র নিতে হয়। সিএপিএফ-কে কাজে লাগানো নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশ থাকা উচিত। তা হলে কোনও দ্বন্দ্ব হওয়া উচিত না।’’ কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের অভাবের অভিযোগও উড়িয়ে দিয়েছেন অজয়। তিনি বলেন, ‘‘প্রক্রিয়া দেখলে বোঝা যাবে, যোগাযোগ হয়। নোডাল অফিসার রয়েছেন। টাইমলাইন রয়েছে।’’ এর পরেই তিনি জানান, কলকাতায় অবাধে নিরপেক্ষ ভাবে নির্বাচন হবে। এখন সেটাই তাঁর এবং তাঁর বাহিনীর ‘পাখির চোখ’। পুলিশ কলকাতার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায়। ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতেই পোস্টার ছেঁড়া-সহ বিভিন্ন অভিযোগ উঠেছে। অজয় জানিয়েছেন, সেই নিয়ে তদন্ত হবে। তাঁর কথায়, ‘‘দেখব যেন নেতা হিসাবে ব্যর্থ না হই।’’

You might also like!